চলতি অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ৩৩.২৪ বিলিয়ন (৩ হাজার ৩২৪ কোটি) মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।
এ পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.২৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২৮.১১ বিলিয়ন (২ হাজার ৮১১ কোটি) ডলার।
গতকাল বুধবার এক দিনেই প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ১১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। চলতি জুনের প্রথম তিন দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যদিও গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৬০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তারা বলছেন, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহজীকৃত ব্যাংকিং ব্যবস্থার কারণে প্রবাসীরা এখন আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
চলতি অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ৩৩.২৪ বিলিয়ন (৩ হাজার ৩২৪ কোটি) মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।
এ পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.২৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২৮.১১ বিলিয়ন (২ হাজার ৮১১ কোটি) ডলার।
গতকাল বুধবার এক দিনেই প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ১১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। চলতি জুনের প্রথম তিন দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যদিও গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৬০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তারা বলছেন, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহজীকৃত ব্যাংকিং ব্যবস্থার কারণে প্রবাসীরা এখন আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন