দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

ইউএনও'র তত্ত্বাবধায়নে নব উদ্যোগে এগিয়ে চলছে পাইকগাছা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা।



ইউএনও'র তত্ত্বাবধায়নে নব উদ্যোগে এগিয়ে চলছে পাইকগাছা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা।
ইউএনও'র তত্ত্বাবধায়নে নব উদ্যোগে এগিয়ে চলছে পাইকগাছা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা।

পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করেছে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় অংশীজন নবোলোক পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত এ উদ্যোগে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারাও।

২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে তিন বছর মেয়াদি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে পৌরসভা ও নতুন আলো উন্নয়ন দলের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মাঠপর্যায়ে জরিপ ও পরীক্ষামূলকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ শুরু হয়।

এ উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন স্থানীয় তিন নারী উদ্যোক্তা—বীণা, জুলি ও সীমা। তাঁরা ২০২৩ সাল থেকে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। পরে পৌর এলাকার যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা, ড্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়া ও জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেন তাঁরা।


পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক, জনাব ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী উদ্যোগটির সঙ্গে পৌরসভাকে সম্পৃক্ত করায় কার্যক্রমে নতুন গতি আসে।


প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পৌরসভার ৩ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৫০৬টি পরিবারে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২৩টি হোটেল, ১০টি ক্লিনিক, ৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ১০টি ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ সেবার আওতায় এসেছে।

নির্ধারিত সেবামূল্য অনুযায়ী, প্রতিটি বাড়ি থেকে ৬০ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানভেদে পৃথক হারে অর্থ নিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ আরও কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সব ওয়ার্ডে সেবাটি সম্প্রসারণের প্রত্যাশা রয়েছে।


এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পৌর এলাকায় বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও নবোলোক এ কাজে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। পৌরবাসীকে আরও সচেতন করে সেবার পরিধি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


ইউএনও'র তত্ত্বাবধায়নে নব উদ্যোগে এগিয়ে চলছে পাইকগাছা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা।

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বাড়ি ও প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করেছে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় অংশীজন নবোলোক পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত এ উদ্যোগে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারাও।

২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে তিন বছর মেয়াদি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে পৌরসভা ও নতুন আলো উন্নয়ন দলের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মাঠপর্যায়ে জরিপ ও পরীক্ষামূলকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ শুরু হয়।

এ উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন স্থানীয় তিন নারী উদ্যোক্তা—বীণা, জুলি ও সীমা। তাঁরা ২০২৩ সাল থেকে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। পরে পৌর এলাকার যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা, ড্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়া ও জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেন তাঁরা।


পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক, জনাব ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী উদ্যোগটির সঙ্গে পৌরসভাকে সম্পৃক্ত করায় কার্যক্রমে নতুন গতি আসে।


প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পৌরসভার ৩ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৫০৬টি পরিবারে নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২৩টি হোটেল, ১০টি ক্লিনিক, ৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ১০টি ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ সেবার আওতায় এসেছে।

নির্ধারিত সেবামূল্য অনুযায়ী, প্রতিটি বাড়ি থেকে ৬০ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানভেদে পৃথক হারে অর্থ নিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ আরও কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সব ওয়ার্ডে সেবাটি সম্প্রসারণের প্রত্যাশা রয়েছে।


এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পৌর এলাকায় বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও নবোলোক এ কাজে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। পৌরবাসীকে আরও সচেতন করে সেবার পরিধি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা আপনার গোপনীয়তাকে সম্মান করে। ১. আমরা আপনার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করি না। ২. আমাদের সাইটে গুগল এডসেন্স এবং ফেসবুক পিক্সেল ব্যবহার করা হয়, যা কুকি (Cookie) এর মাধ্যমে আপনার ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। ৩. আপনি চাইলে ব্রাউজার থেকে কুকি বন্ধ করতে পারেন। ৪. আমাদের সাইটে প্রকাশিত সকল সংবাদের কপিরাইট দৈনিক আলোকিত সলঙ্গার। কোনো প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগ করুন: dailyalokitosolanga@gmail.com
চেয়ারম্যানঃ মোঃ লুৎফর রহমান লিটন | Email: dailyalokitosolanga@gmail.com | মোবাইল: ০১৭১১৪৫৪০১৮, ০১৮১১১৯৭৮৪১ কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা