দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থেকে রোগীর হাতে নিরাপদ ওষুধ—নীরবে কাজ করে চলা একজন ফার্মাসিস্টের গল্প মোঃ শাহ আলম



চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থেকে রোগীর হাতে নিরাপদ ওষুধ—নীরবে কাজ করে চলা একজন ফার্মাসিস্টের গল্প  মোঃ শাহ আলম
চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থেকে রোগীর হাতে নিরাপদ ওষুধ—নীরবে কাজ করে চলা একজন ফার্মাসিস্টের গল্প মোঃ শাহ আলম

আমরা বিভিন্ন সময় সলঙ্গা থানার নানা রকম পেশার মানুষের গল্প প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র মাধ্যমে তুলে ধরছি। আজকের গল্পটি তাঁদের থেকে কিছুটা ভিন্ন। কারণ আজ আমরা এমন একজন পেশাজীবিকে তুলে ধরছি, যার পেশা স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হলেও আমাদের সমাজে ফার্মাসিস্টের প্রকৃত ভূমিকা এখনো অনেকের কাছে পরিচিত নয়।

একটি ওষুধের দোকানও যে মানুষের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবার বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল হয়ে উঠতে পারে—তারই এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন একজন বিশেষজ্ঞ, সরকার কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট। তিনি আর কেউ নন, আমাদের সলঙ্গারই গর্ব—ফার্মাসিস্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান (মিলন)।


জনাব মিলন সলঙ্গা থানার দত্তকুশা-কালিপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত  মুসলিম পরিবারে ১৯৮৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জনাব আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন আকন্দ। তিনি সরকারি চাকুরি জীবন শেষ করে বর্তমানে নানা রকম সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে  সামাজিক ও মানবিক কাজে অবদান রেখে চলেছেন।বর্তমানে তিনি  জনপ্রিয় মানবিক সংগঠন প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সম্মানিত সিনিয়র সদস্য এবং সলঙ্গা কেন্দ্রীয় বাইতুর রহমান জামে মসজিদের উন্নয়ন ও পরিচালনার কাজে দীর্ঘদিন ধরে  সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।


শিক্ষাজীবনে শুরু থেকেই জনাব মিলন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও অনন্য সাধারণ। ২০০০ সালে স্থানীয় স্বনামধন্য 'দাদপুর সাহেবগঞ্জ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়' থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত তৎকালীন 'বাংলাদেশ রাইফেলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ' (বর্তমান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ) থেকে সফলতার সাথে এইচএসসি পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় 'দি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক'-এর ফার্মেসি বিভাগে। ২০০৭ সালে ব্যাচেলর অব ফার্মেসি (B.Pharm) এবং ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজিতে (M.Pharm) চমৎকার ফলাফলের মাধ্যমে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল স্বীকৃত 'এ' গ্রেড নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট (রেজিঃ নং: A-5273)। ফার্মাসিউটিক্যালসের পাশাপাশি মাইক্রোবায়োলজিতেও তার রয়েছে গভীর জ্ঞান, বিশেষ দক্ষতা ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা।


 জনাব মিলন দেশীয় ও বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে নিজ এলাকার মানুষের সেবায় কাজে লাগাতে তিনি ফিরে এসেছেন নিজের শিকড়ে। সলঙ্গার কদমতলায় (ব্রাদার্স কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের নিচতলায়) তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন 'লাইফলাইন ফার্মেসি'। একজন পেশেন্ট-কাউন্সেলিং ফার্মাসিস্ট হিসেবে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি রোগীকে সঠিক সেবনবিধি, সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক পরামর্শ দিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।


জনাব মিলনের পেশাগত দক্ষতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় দিক হলো—তাঁর কাছে সেবা নিতে আসা কোনো রোগীর শারীরিক জটিলতা বা রোগের পরিধি বুঝে তিনি দেশের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের (Senior Consultants) সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার সক্ষমতা রাখেন। প্রয়োজনে রোগীদের ঢাকাসহ দেশের প্রথম সারির বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সিরিয়াল/অ্যাপয়েন্টমেন্ট সুনিশ্চিত করে তাঁদের সঠিক চিকিৎসকের দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছেন। যা বর্তমানে এই অঞ্চলের সাধারণ রোগীদের জন্য এক বিরাট ভরসার জায়গা।


সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ এবং নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত ডোজ সংক্রান্ত যে বিষয়টি বর্তমান বাংলাদেশের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ তা বাংলাদেশের সকল বিশেষজ্ঞ রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহ যারা কিনা সরাসরি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নীতির মান উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে বা ভাবাচ্ছে তা আর কিছুই নয় দেখা যাচ্ছে সর্বোচ্চ মানের বা পর্যায়ের যে এন্টিবায়োটিকসগুলো আছে পাশাপাশি সর্বোচ্চ পর্যায়ের যে অ্যান্টিফাঙ্গাল ড্রাগস গুলো আছে বর্তমানে আমাদের বাজারে বিদ্যমান তা প্রায় আমাদের এই দেশের বৃহৎ এক জনগোষ্ঠীর মধ্যে অলরেডি রেসিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে এই ব্যাপারেও এই বিশেষজ্ঞ ফার্মাসিস্ট অ্যান্টিবায়োটিকস ও এন্টিফাঙ্গাল ড্রাগস সেবনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্স নামক ভয়ংকর এই জিনিসটাকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে আসছেন এটা তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে তিনি তা মনে করেন এবং এটি আমাদের বর্তমান সময়ের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই মনে করে তারই ফলশ্রুতিতে এই ফার্মাসিস্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান মিলন সাহেব এন্টিবায়োটিকস ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ড্রাগ সেবনের ক্ষেত্রে তার সকল কাজের মধ্যে এই কাজটিকে প্রধানতম প্রাধান্য দিয়ে তার কাউন্সিলিংয়ের বিষয়টি তিনি প্রতিদিন সম্পন্ন করেন যা আসলেই একজন গ্র্যাজুয়েট রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্টের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। কারণ একজন গ্র্যাজুয়েট রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্টিই শুধুমাত্র মেডিসিনের এক্সপার্ট আর কেউ নন বলে তিনি মনে করেন।


শুধু পেশাগত দায়িত্বই নয়, প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র মূল স্লোগান—"মানবতার কল্যাণে আমাদের পাশে থাকুন"—এই শ্লোগান জনাব মিলন হৃদয়ে ধারণ ও পোষণ করে 'প্রিয় সলঙ্গার গল্প'-এর সকল মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন ফার্মেসি সব সময় আন্তরিকভাবে পাশে আছেন।


নিজের শিক্ষা, অর্জিত জ্ঞান এবং নিজ এলাকার মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসার সমন্বয়ে সলঙ্গাবাসীর সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছেন তিনি।


অনলাইন ফেসবুক প্লাটফর্ম *** প্রিয় সলঙ্গার গল্প ***  পরিবারের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমরা এই নীরব স্বাস্থ্যসেবকের উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।


লেখকঃ শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন থেকে রোগীর হাতে নিরাপদ ওষুধ—নীরবে কাজ করে চলা একজন ফার্মাসিস্টের গল্প মোঃ শাহ আলম

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আমরা বিভিন্ন সময় সলঙ্গা থানার নানা রকম পেশার মানুষের গল্প প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র মাধ্যমে তুলে ধরছি। আজকের গল্পটি তাঁদের থেকে কিছুটা ভিন্ন। কারণ আজ আমরা এমন একজন পেশাজীবিকে তুলে ধরছি, যার পেশা স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হলেও আমাদের সমাজে ফার্মাসিস্টের প্রকৃত ভূমিকা এখনো অনেকের কাছে পরিচিত নয়।

একটি ওষুধের দোকানও যে মানুষের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবার বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল হয়ে উঠতে পারে—তারই এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন একজন বিশেষজ্ঞ, সরকার কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট। তিনি আর কেউ নন, আমাদের সলঙ্গারই গর্ব—ফার্মাসিস্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান (মিলন)।


জনাব মিলন সলঙ্গা থানার দত্তকুশা-কালিপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত  মুসলিম পরিবারে ১৯৮৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জনাব আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন আকন্দ। তিনি সরকারি চাকুরি জীবন শেষ করে বর্তমানে নানা রকম সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে  সামাজিক ও মানবিক কাজে অবদান রেখে চলেছেন।বর্তমানে তিনি  জনপ্রিয় মানবিক সংগঠন প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সম্মানিত সিনিয়র সদস্য এবং সলঙ্গা কেন্দ্রীয় বাইতুর রহমান জামে মসজিদের উন্নয়ন ও পরিচালনার কাজে দীর্ঘদিন ধরে  সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।


শিক্ষাজীবনে শুরু থেকেই জনাব মিলন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও অনন্য সাধারণ। ২০০০ সালে স্থানীয় স্বনামধন্য 'দাদপুর সাহেবগঞ্জ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়' থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত তৎকালীন 'বাংলাদেশ রাইফেলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ' (বর্তমান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ) থেকে সফলতার সাথে এইচএসসি পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় 'দি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক'-এর ফার্মেসি বিভাগে। ২০০৭ সালে ব্যাচেলর অব ফার্মেসি (B.Pharm) এবং ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজিতে (M.Pharm) চমৎকার ফলাফলের মাধ্যমে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল স্বীকৃত 'এ' গ্রেড নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট (রেজিঃ নং: A-5273)। ফার্মাসিউটিক্যালসের পাশাপাশি মাইক্রোবায়োলজিতেও তার রয়েছে গভীর জ্ঞান, বিশেষ দক্ষতা ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা।


 জনাব মিলন দেশীয় ও বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে নিজ এলাকার মানুষের সেবায় কাজে লাগাতে তিনি ফিরে এসেছেন নিজের শিকড়ে। সলঙ্গার কদমতলায় (ব্রাদার্স কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের নিচতলায়) তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন 'লাইফলাইন ফার্মেসি'। একজন পেশেন্ট-কাউন্সেলিং ফার্মাসিস্ট হিসেবে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি রোগীকে সঠিক সেবনবিধি, সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক পরামর্শ দিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।


জনাব মিলনের পেশাগত দক্ষতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় দিক হলো—তাঁর কাছে সেবা নিতে আসা কোনো রোগীর শারীরিক জটিলতা বা রোগের পরিধি বুঝে তিনি দেশের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের (Senior Consultants) সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার সক্ষমতা রাখেন। প্রয়োজনে রোগীদের ঢাকাসহ দেশের প্রথম সারির বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সিরিয়াল/অ্যাপয়েন্টমেন্ট সুনিশ্চিত করে তাঁদের সঠিক চিকিৎসকের দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে চলেছেন। যা বর্তমানে এই অঞ্চলের সাধারণ রোগীদের জন্য এক বিরাট ভরসার জায়গা।


সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ এবং নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত ডোজ সংক্রান্ত যে বিষয়টি বর্তমান বাংলাদেশের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ তা বাংলাদেশের সকল বিশেষজ্ঞ রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সহ যারা কিনা সরাসরি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নীতির মান উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে বা ভাবাচ্ছে তা আর কিছুই নয় দেখা যাচ্ছে সর্বোচ্চ মানের বা পর্যায়ের যে এন্টিবায়োটিকসগুলো আছে পাশাপাশি সর্বোচ্চ পর্যায়ের যে অ্যান্টিফাঙ্গাল ড্রাগস গুলো আছে বর্তমানে আমাদের বাজারে বিদ্যমান তা প্রায় আমাদের এই দেশের বৃহৎ এক জনগোষ্ঠীর মধ্যে অলরেডি রেসিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে এই ব্যাপারেও এই বিশেষজ্ঞ ফার্মাসিস্ট অ্যান্টিবায়োটিকস ও এন্টিফাঙ্গাল ড্রাগস সেবনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্স নামক ভয়ংকর এই জিনিসটাকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে আসছেন এটা তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে তিনি তা মনে করেন এবং এটি আমাদের বর্তমান সময়ের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই মনে করে তারই ফলশ্রুতিতে এই ফার্মাসিস্ট মোঃ মাকসুদুর রহমান মিলন সাহেব এন্টিবায়োটিকস ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ড্রাগ সেবনের ক্ষেত্রে তার সকল কাজের মধ্যে এই কাজটিকে প্রধানতম প্রাধান্য দিয়ে তার কাউন্সিলিংয়ের বিষয়টি তিনি প্রতিদিন সম্পন্ন করেন যা আসলেই একজন গ্র্যাজুয়েট রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্টের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। কারণ একজন গ্র্যাজুয়েট রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্টিই শুধুমাত্র মেডিসিনের এক্সপার্ট আর কেউ নন বলে তিনি মনে করেন।


শুধু পেশাগত দায়িত্বই নয়, প্রিয় সলঙ্গার গল্প'র মূল স্লোগান—"মানবতার কল্যাণে আমাদের পাশে থাকুন"—এই শ্লোগান জনাব মিলন হৃদয়ে ধারণ ও পোষণ করে 'প্রিয় সলঙ্গার গল্প'-এর সকল মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন ফার্মেসি সব সময় আন্তরিকভাবে পাশে আছেন।


নিজের শিক্ষা, অর্জিত জ্ঞান এবং নিজ এলাকার মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসার সমন্বয়ে সলঙ্গাবাসীর সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছেন তিনি।


অনলাইন ফেসবুক প্লাটফর্ম *** প্রিয় সলঙ্গার গল্প ***  পরিবারের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমরা এই নীরব স্বাস্থ্যসেবকের উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।


লেখকঃ শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

প্রধান উপদেষ্টা :
খান সেলিম রহমান (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা
উপদেষ্টাঃ
আওরঙ্গজেব কামাল- (সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার (সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির (দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ (সাধারণ সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ জাকির হোসেন (সাধারণ সম্পাদক হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মিজানুর রহমান মিজান (সাংগঠনিক সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ সাইদুল ইসলাম আবির সম্পাদক খোলা বার্তা
বার্তা সম্পাদক: লাবনী খাতুন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ লুৎফর রহমান লিটন স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত প্রত্রিকা কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব

চেয়ারম্যানঃ মোঃ লুৎফর রহমান লিটন Email: dailyalokitosolanga@gmail.com মোবাইল: ০১৭৫৯০০৩৩৫৮ কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা