যুক্তরাষ্ট্র ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালালে বিশ্বজুড়ে মার্কিন সম্পদ লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, তেহরানের দেয়া সাতটি শর্ত যুক্তরাষ্ট্র পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইরানে নতুন করে হামলা হলে, কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব সম্পদ লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সরঞ্জাম এবং বাহিনীও ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আকরামিনিয়া বলেন, ‘দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরেও আমাদের শত্রুর ঘাঁটি রয়েছে এবং সেসব ঘাঁটিতে তাদের সরঞ্জাম ও বাহিনী মোতায়েন করা আছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব বস্তুগত ও অবস্তুগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।’
এদিকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওভাল অফিসে ইরান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ আরও তীব্র করার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রায় ঘনিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, তবে হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে। আপনারা খুব দ্রুতই তা জানতে পারবেন।’
এই বিকল্পকে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব যে, আমরা কি আরও এগিয়ে গিয়ে বিষয়টিকে এমনভাবে নিশ্চিত (সার্টিফাই) করতে চাই, যাতে এটি আর কখনোই না ঘটে?’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, দেশটি পুনর্নির্মাণ করতে তাদের (ইরান) ২৫ বছর সময় লাগবে।’

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালালে বিশ্বজুড়ে মার্কিন সম্পদ লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, তেহরানের দেয়া সাতটি শর্ত যুক্তরাষ্ট্র পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইরানে নতুন করে হামলা হলে, কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব সম্পদ লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সরঞ্জাম এবং বাহিনীও ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আকরামিনিয়া বলেন, ‘দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরেও আমাদের শত্রুর ঘাঁটি রয়েছে এবং সেসব ঘাঁটিতে তাদের সরঞ্জাম ও বাহিনী মোতায়েন করা আছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব বস্তুগত ও অবস্তুগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।’
এদিকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওভাল অফিসে ইরান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ আরও তীব্র করার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রায় ঘনিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, তবে হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে। আপনারা খুব দ্রুতই তা জানতে পারবেন।’
এই বিকল্পকে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব যে, আমরা কি আরও এগিয়ে গিয়ে বিষয়টিকে এমনভাবে নিশ্চিত (সার্টিফাই) করতে চাই, যাতে এটি আর কখনোই না ঘটে?’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, দেশটি পুনর্নির্মাণ করতে তাদের (ইরান) ২৫ বছর সময় লাগবে।’

আপনার মতামত লিখুন