আদালত চত্বরে চিত্রনায়িকা পরীমণি এক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মোবাইল কেড়ে নেয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিবা শানু।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে যান পরীমণি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এরপর অকারণে দৈনিক সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজুর ওপর চড়াও হন এবং তার মোবাইল কেড়ে নেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিবা শানু বলেন,
শুধু শিল্পী না, কোনো ব্যক্তিরই সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা কাম্য নয়। আমরা অবশ্যই এটার নিন্দা জানাই। একজন পেশাদার শিল্পীর কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ঘটনাটি শিল্পী সমাজের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিবা শানু বলেন,
এ ধরনের ঘটনা সামাজিকভাবে আমাদের একটু ছোটই করে। শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে আমি চাই না আমার কোনো শিল্পী এমন কোনো পরিস্থিতির শিকার হোক বা এমন কোনো ঘটনার সাথে জড়িত হোক। শিল্পী হিসেবে আমি খুবই দুঃখিত এবং আমি চাই না, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটুক। সাংবাদিক ও শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে আমরা সবাই একসঙ্গে আগামীর দিনগুলোর পথ চলতে চাই।
শুধু পরীমণির বিরুদ্ধে নয়, অভিযোগ উঠেছে আদালত প্রাঙ্গনে নায়িকার সঙ্গে থাকা বাউন্সার টিমের সদস্যদের বিরুদ্ধেও। তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা এবং সুজন চন্দ্র নামের একজন বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্যামেরার ফ্রেমে পরীমণির এ রূপ ভক্তদের মাঝেও তৈরি করেছে নতুন কৌতূহল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন বলে জানান নায়িকা।
তাই পরীমণির গায়ে কে হাত দিয়েছেন, আর কী কারণে তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন- সে ঘটনারও প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
আদালত চত্বরে চিত্রনায়িকা পরীমণি এক সাংবাদিককে হেনস্তা ও মোবাইল কেড়ে নেয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিবা শানু।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে যান পরীমণি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এরপর অকারণে দৈনিক সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজুর ওপর চড়াও হন এবং তার মোবাইল কেড়ে নেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিবা শানু বলেন,
শুধু শিল্পী না, কোনো ব্যক্তিরই সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা কাম্য নয়। আমরা অবশ্যই এটার নিন্দা জানাই। একজন পেশাদার শিল্পীর কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ঘটনাটি শিল্পী সমাজের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিবা শানু বলেন,
এ ধরনের ঘটনা সামাজিকভাবে আমাদের একটু ছোটই করে। শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে আমি চাই না আমার কোনো শিল্পী এমন কোনো পরিস্থিতির শিকার হোক বা এমন কোনো ঘটনার সাথে জড়িত হোক। শিল্পী হিসেবে আমি খুবই দুঃখিত এবং আমি চাই না, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটুক। সাংবাদিক ও শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে আমরা সবাই একসঙ্গে আগামীর দিনগুলোর পথ চলতে চাই।
শুধু পরীমণির বিরুদ্ধে নয়, অভিযোগ উঠেছে আদালত প্রাঙ্গনে নায়িকার সঙ্গে থাকা বাউন্সার টিমের সদস্যদের বিরুদ্ধেও। তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা এবং সুজন চন্দ্র নামের একজন বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্যামেরার ফ্রেমে পরীমণির এ রূপ ভক্তদের মাঝেও তৈরি করেছে নতুন কৌতূহল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন বলে জানান নায়িকা।
তাই পরীমণির গায়ে কে হাত দিয়েছেন, আর কী কারণে তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন- সে ঘটনারও প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন