রংপুর মহানগরে নাস্তা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ বছর বয়সী এক বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরকে নির্জন স্থানে নিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মতিন (৮০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের হাতে আটকের গণপিটুনিতে আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল মতিন রংপুর সিটি করপোরেশনের হারাগাছ থানার চাঁন্দকুটি সৎবাজার এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে কিশোরটি চাঁন্কুদঠি সৎবাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় নাস্তা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি গুদামের পাশের ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান আব্দুল মতিন। সেখানে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।পরে কিশোরটিকে সদবাজার এলাকায় রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। এ সময় কিশোরের কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তার লুঙ্গিতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে তাঁরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। তখন কিশোরটি তাঁদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন আব্দুল মতিনকে আটক করে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি তাঁদের হাত থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরটিকে উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা তাকে প্রথমে হারাগাছ ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ঘটনায় রোববার দিবাগত গভীর রাতে ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে আব্দুল মতিনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন।
ওসি আরও জানান, স্থানীয় লোকজনের মারধরে আহত হয়ে আব্দুল মতিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
রংপুর মহানগরে নাস্তা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ বছর বয়সী এক বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরকে নির্জন স্থানে নিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মতিন (৮০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের হাতে আটকের গণপিটুনিতে আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল মতিন রংপুর সিটি করপোরেশনের হারাগাছ থানার চাঁন্দকুটি সৎবাজার এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে কিশোরটি চাঁন্কুদঠি সৎবাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় নাস্তা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি গুদামের পাশের ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান আব্দুল মতিন। সেখানে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।পরে কিশোরটিকে সদবাজার এলাকায় রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। এ সময় কিশোরের কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তার লুঙ্গিতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে তাঁরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। তখন কিশোরটি তাঁদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন আব্দুল মতিনকে আটক করে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি তাঁদের হাত থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরটিকে উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা তাকে প্রথমে হারাগাছ ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ঘটনায় রোববার দিবাগত গভীর রাতে ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে আব্দুল মতিনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন।
ওসি আরও জানান, স্থানীয় লোকজনের মারধরে আহত হয়ে আব্দুল মতিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আপনার মতামত লিখুন