ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা।
সোমবার (২ নভেম্বর) এক বার্তায় এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।
এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে এলপিজির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পাইপলাইনের গ্যাসের সংযোগ না থাকা এবং নতুন সংযোগ সীমিত থাকায় অনেক পরিবার সিলিন্ডার গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এলপিজির দাম বাড়লে সরাসরি বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা।
এলপিজির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম, আমদানি ব্যয়, ডলারের বিনিময় হার এবং পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট খরচ বিবেচনায় নেওয়া হয়। বিইআরসি প্রতি মাসে এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় করে।
তবে কমিশনের নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাজারে বিক্রি হওয়া সিলিন্ডারের দামের পার্থক্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তাদের অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ ওঠে। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর বাজারে এলপিজি বিক্রি কমিশনের নির্ধারিত মূল্যে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
এ অবস্থায় নতুন করে দাম বাড়ায় রান্নার জ্বালানি বাবদ পরিবারের মাসিক ব্যয় আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা।
সোমবার (২ নভেম্বর) এক বার্তায় এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।
এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে এলপিজির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পাইপলাইনের গ্যাসের সংযোগ না থাকা এবং নতুন সংযোগ সীমিত থাকায় অনেক পরিবার সিলিন্ডার গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এলপিজির দাম বাড়লে সরাসরি বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা।
এলপিজির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম, আমদানি ব্যয়, ডলারের বিনিময় হার এবং পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট খরচ বিবেচনায় নেওয়া হয়। বিইআরসি প্রতি মাসে এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় করে।
তবে কমিশনের নির্ধারিত দামের সঙ্গে বাজারে বিক্রি হওয়া সিলিন্ডারের দামের পার্থক্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তাদের অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ ওঠে। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর বাজারে এলপিজি বিক্রি কমিশনের নির্ধারিত মূল্যে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
এ অবস্থায় নতুন করে দাম বাড়ায় রান্নার জ্বালানি বাবদ পরিবারের মাসিক ব্যয় আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন