পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি কলেজে ৮ জন শিক্ষক কর্মরত। অথচ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। আর সেই একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে ফলাফলে পাসের ঘর শূন্য রেখেছেন তিনি।
কলেজটির নাম মির্জাগঞ্জ মজিদবাড়িয়া কলেজ। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ৮ জন। কিন্তু দীর্ঘ ২৪ বছরেও গড়ে ওঠেনি নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের আগ্রহও কমছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এ কারণে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী হন না। অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন কমছে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি কলেজে ৮ জন শিক্ষক কর্মরত। অথচ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। আর সেই একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে ফলাফলে পাসের ঘর শূন্য রেখেছেন তিনি।
কলেজটির নাম মির্জাগঞ্জ মজিদবাড়িয়া কলেজ। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ৮ জন। কিন্তু দীর্ঘ ২৪ বছরেও গড়ে ওঠেনি নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের আগ্রহও কমছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এ কারণে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী হন না। অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন কমছে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন