রাজশাহীর বাঘায় পারিবারিক বিরোধে রুমিয়া বেগম হত্যা মামলায় তাঁর দেবর রেন্টু (৫২) ও ভাতিজা বিদ্যুৎকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ৩ জন গ্রেপ্তার হলো।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর সকালে উপজেলার কিশোরপুর কামারপাড়া এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই কামাল ও তাঁর স্ত্রী রুমিয়াকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ছোট ভাই রেন্টু, তাঁর ছেলে বিদ্যুৎ, বিউটির বিরুদ্ধে। এতে রুমিয়া গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়।
রুমিয়ার মৃত্যুর পর ঘটনাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এসআই জামাল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে রেন্টু ও বিদ্যুৎকে গ্রেপ্তার করেন। এর আগে ঘটনার দিন বিউটি বেগমকে আটক করেছিল পুলিশ।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, "অক্লান্ত পরিশ্রম করে ঢাকা থেকে রুমিয়া হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
রাজশাহীর বাঘায় পারিবারিক বিরোধে রুমিয়া বেগম হত্যা মামলায় তাঁর দেবর রেন্টু (৫২) ও ভাতিজা বিদ্যুৎকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ৩ জন গ্রেপ্তার হলো।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর সকালে উপজেলার কিশোরপুর কামারপাড়া এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই কামাল ও তাঁর স্ত্রী রুমিয়াকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ছোট ভাই রেন্টু, তাঁর ছেলে বিদ্যুৎ, বিউটির বিরুদ্ধে। এতে রুমিয়া গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়।
রুমিয়ার মৃত্যুর পর ঘটনাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এসআই জামাল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে রেন্টু ও বিদ্যুৎকে গ্রেপ্তার করেন। এর আগে ঘটনার দিন বিউটি বেগমকে আটক করেছিল পুলিশ।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, "অক্লান্ত পরিশ্রম করে ঢাকা থেকে রুমিয়া হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন