আধুনিক ও সমসাময়িক গানের শব্দ বিন্যাসে যিনি শ্রোতাদের মন জয় করেছেন, তিনি এবার ফিরেছেন বাংলার মাটির টানে, শিকড়ের সন্ধানে। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জনপ্রিয় গীতিকার, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক রেজাউল করিম জীবন এবার নাম লিখিয়েছেন পল্লীগীতি গানের গীতিকার হিসেবে। আধুনিক গানের সফল সীমানা পেরিয়ে লোকসংগীতের এই আঙিনায় তার পদার্পণ সংগীত মহলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতার রংপুরে পল্লীগীতি গানের গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এর আগে রেজাউল করিম জীবনের লেখা আধুনিক গান শ্রোতামহলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। সমকালীন জীবনের প্রেম, বিরহ ও নাগরিক জীবনের অনুভূতিগুলো যেভাবে তিনি তার লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল। তবে এবার নাগরিক জীবনের কোলাহল ছেড়ে গ্রামীণ বাংলার লোকজ সুর, লোকসংস্কৃতি ও মাটির ঘ্রাণকে ভালোবেসে পল্লীগীতির দিকে মনোনিবেশ করেছেন তিনি।
রেজাউল করিম জীবন ২০১৬ সাল থেকে গান লেখা শুরু করেন। তিনি ২০২৫ সালে বাংলাদেশ বেতার রংপুরে আধুনিক গানের গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। জীবন একাধারে গীতিকার, সাংবাদিক ও সাহিত্য সংগঠক। লেখালেখি ও সাহিত্য সংগঠক হিসেবে ইতিমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে পদক ও সম্মাননা প্রাপ্ত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত ছড়াগ্রন্থ ‘ছড়াগুলো টুনটুনি’র ছাড়াও যৌথকাব্যগ্রন্থ রয়েছে। তাঁর লেখা গান রংপুর মিউজিক ও মিউজিক রংপুরে আধুনিক এবং পল্লীগীতির গান রয়েছে। রেজাউল করিম জীবন ১০ জেলার বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকারদের নিয়ে সংগঠন গীতিকবি সংসদ রংপুর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক, ছড়া সংসদ রংপুরের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে আছেন। তিনি পেশায় সাংবাদিক। জেলা ও ঢাকার পত্রিকায় কর্মরত। একই সাথে তিনি বাংলাদেশ বেতার রংপুরের বার্তা বিভাগে অনুবাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
নিজের এই নতুন পরিচয় ও ধারা পরিবর্তন নিয়ে গীতিকার রেজাউল করিম জীবন বলেন, “আধুনিক গান আমাদের বর্তমানকে প্রকাশ করে, কিন্তু পল্লীগীতি বা লোকসংগীতের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের আসল শিকড়। মাটির গান, মানুষের গান এবং গ্রামীণ বাংলার চিরন্তন অনুভূতিগুলোকে শব্দের ফ্রেমে বন্দি করার এক অদ্ভুত আত্মতৃপ্তি রয়েছে। সেই তাগিদ থেকেই এবার পল্লীগীতির গীতিকার হিসেবে কাজ শুরু করেছি। আশা করছি, আধুনিক গানের মতো আমার এই নতুন ধারার গানগুলোও শ্রোতাদের হৃদয়ে দোলা দেবে।
সংগীত বোদ্ধাদের মতে, একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হওয়ায় সমাজের গভীরের রূপগুলো রেজাউল করিম জীবনের খুব চেনা। আর সেই অভিজ্ঞতাকে যখন তিনি লোকজ ধারার গানে রূপ দিচ্ছেন, তখন তা গ্রামীণ বাংলার মানুষের কথাকে আরও নিখুঁতভাবে তুলে ধরছে।
রেজাউল করিম জীবন সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সংগীতের এই নতুন ধারা নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর লেখা গানের কয়েকটি মিউজিক ভিডিওর কাজ চলছে। আধুনিক গানের পর পল্লীগীতির ভুবনেও তাঁর সুরের যাত্রা সফল ও সুদূরপ্রসারী হোক—এমনটাই প্রত্যাশা সংগীতপ্রেমীদের।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
আধুনিক ও সমসাময়িক গানের শব্দ বিন্যাসে যিনি শ্রোতাদের মন জয় করেছেন, তিনি এবার ফিরেছেন বাংলার মাটির টানে, শিকড়ের সন্ধানে। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জনপ্রিয় গীতিকার, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক রেজাউল করিম জীবন এবার নাম লিখিয়েছেন পল্লীগীতি গানের গীতিকার হিসেবে। আধুনিক গানের সফল সীমানা পেরিয়ে লোকসংগীতের এই আঙিনায় তার পদার্পণ সংগীত মহলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতার রংপুরে পল্লীগীতি গানের গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এর আগে রেজাউল করিম জীবনের লেখা আধুনিক গান শ্রোতামহলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। সমকালীন জীবনের প্রেম, বিরহ ও নাগরিক জীবনের অনুভূতিগুলো যেভাবে তিনি তার লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা দর্শক-শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কেটেছিল। তবে এবার নাগরিক জীবনের কোলাহল ছেড়ে গ্রামীণ বাংলার লোকজ সুর, লোকসংস্কৃতি ও মাটির ঘ্রাণকে ভালোবেসে পল্লীগীতির দিকে মনোনিবেশ করেছেন তিনি।
রেজাউল করিম জীবন ২০১৬ সাল থেকে গান লেখা শুরু করেন। তিনি ২০২৫ সালে বাংলাদেশ বেতার রংপুরে আধুনিক গানের গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। জীবন একাধারে গীতিকার, সাংবাদিক ও সাহিত্য সংগঠক। লেখালেখি ও সাহিত্য সংগঠক হিসেবে ইতিমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে পদক ও সম্মাননা প্রাপ্ত হয়েছে। তাঁর প্রকাশিত ছড়াগ্রন্থ ‘ছড়াগুলো টুনটুনি’র ছাড়াও যৌথকাব্যগ্রন্থ রয়েছে। তাঁর লেখা গান রংপুর মিউজিক ও মিউজিক রংপুরে আধুনিক এবং পল্লীগীতির গান রয়েছে। রেজাউল করিম জীবন ১০ জেলার বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকারদের নিয়ে সংগঠন গীতিকবি সংসদ রংপুর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক, ছড়া সংসদ রংপুরের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে আছেন। তিনি পেশায় সাংবাদিক। জেলা ও ঢাকার পত্রিকায় কর্মরত। একই সাথে তিনি বাংলাদেশ বেতার রংপুরের বার্তা বিভাগে অনুবাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
নিজের এই নতুন পরিচয় ও ধারা পরিবর্তন নিয়ে গীতিকার রেজাউল করিম জীবন বলেন, “আধুনিক গান আমাদের বর্তমানকে প্রকাশ করে, কিন্তু পল্লীগীতি বা লোকসংগীতের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের আসল শিকড়। মাটির গান, মানুষের গান এবং গ্রামীণ বাংলার চিরন্তন অনুভূতিগুলোকে শব্দের ফ্রেমে বন্দি করার এক অদ্ভুত আত্মতৃপ্তি রয়েছে। সেই তাগিদ থেকেই এবার পল্লীগীতির গীতিকার হিসেবে কাজ শুরু করেছি। আশা করছি, আধুনিক গানের মতো আমার এই নতুন ধারার গানগুলোও শ্রোতাদের হৃদয়ে দোলা দেবে।
সংগীত বোদ্ধাদের মতে, একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হওয়ায় সমাজের গভীরের রূপগুলো রেজাউল করিম জীবনের খুব চেনা। আর সেই অভিজ্ঞতাকে যখন তিনি লোকজ ধারার গানে রূপ দিচ্ছেন, তখন তা গ্রামীণ বাংলার মানুষের কথাকে আরও নিখুঁতভাবে তুলে ধরছে।
রেজাউল করিম জীবন সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সংগীতের এই নতুন ধারা নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর লেখা গানের কয়েকটি মিউজিক ভিডিওর কাজ চলছে। আধুনিক গানের পর পল্লীগীতির ভুবনেও তাঁর সুরের যাত্রা সফল ও সুদূরপ্রসারী হোক—এমনটাই প্রত্যাশা সংগীতপ্রেমীদের।

আপনার মতামত লিখুন