ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও ১৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সিজার বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ হাজার ৪০০ টাকা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ দানাজপুর বিওপির সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেণ। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্যের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং এ ধরণের অপরাধ দমনে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারী আরও জোরদার করা হবে।
সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরণের অভিযান অবৈধ মাদক প্রবেশ রোধে চলমান কার্যক্রম।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও ১৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সিজার বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ হাজার ৪০০ টাকা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ দানাজপুর বিওপির সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেণ। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্যের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং এ ধরণের অপরাধ দমনে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারী আরও জোরদার করা হবে।
সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরণের অভিযান অবৈধ মাদক প্রবেশ রোধে চলমান কার্যক্রম।

আপনার মতামত লিখুন