সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) 'প্রেরণা'র নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অর্থায়ন এবং ভারতে অবস্থানরত রাজনৈতিক নেতাদের সাথে যোগাযোগের অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শ্যামনগরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত একটি সমাবেশে বর্তমান নির্বাচিত সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর শ্যামনগর থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে এনজিওর আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে মদদ দেয়ার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় দ্রুত তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে শম্পা গোস্বামীর পক্ষে ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো থেকে এই মামলা ও অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) 'প্রেরণা'র নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অর্থায়ন এবং ভারতে অবস্থানরত রাজনৈতিক নেতাদের সাথে যোগাযোগের অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শ্যামনগরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত একটি সমাবেশে বর্তমান নির্বাচিত সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর শ্যামনগর থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে এনজিওর আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে মদদ দেয়ার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় দ্রুত তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে শম্পা গোস্বামীর পক্ষে ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো থেকে এই মামলা ও অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন