শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল মোর্শেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট আবদুস সালাম পিন্টু।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো: নবাব আলী, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সাধারণ সম্পাদক মো: চাঁন মিয়া, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আমিনুল ইসলাম, সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলু, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক চৌধুরী ওপেল, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রবীর চন্দ্র চন্দ, উপজেলা পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অভিজিৎ দে নিন্টু, সাধারণ সম্পাদক প্রলয় কুন্ডু, সিনিয়র সহ সভাপতি রনজিৎ ঘোষ, সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, গনেশ চন্দ্র পাল, দিলিপ চন্দ্র দাসসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সংবাদকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য ও সম্প্রীতিরও প্রতীক। তাই উৎসবটি আনন্দমুখর ও নিরাপদ করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এবং স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় গোপালপুর উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা ও সরকারি অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল মোর্শেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী এডভোকেট আবদুস সালাম পিন্টু।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো: নবাব আলী, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সাধারণ সম্পাদক মো: চাঁন মিয়া, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আমিনুল ইসলাম, সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলু, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক চৌধুরী ওপেল, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রবীর চন্দ্র চন্দ, উপজেলা পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অভিজিৎ দে নিন্টু, সাধারণ সম্পাদক প্রলয় কুন্ডু, সিনিয়র সহ সভাপতি রনজিৎ ঘোষ, সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, গনেশ চন্দ্র পাল, দিলিপ চন্দ্র দাসসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সংবাদকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য ও সম্প্রীতিরও প্রতীক। তাই উৎসবটি আনন্দমুখর ও নিরাপদ করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এবং স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় গোপালপুর উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন