এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে লায়ন্স সদস্যদের প্রতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতার কল্যাণে অসহায়, নির্যাতিত, নিপীড়িত, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সদস্যদের আরও আন্তরিক ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর জোন চেয়ারপারসন লায়ন ও প্রেসক্লাব ফেডারেশনের মহাসচিব শেখ মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটানোই মানবসেবার অন্যতম সার্থকতা। লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রত্যেক সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সেবামূলক উদ্যোগে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে এতিম শিশু, দরিদ্র পরিবার ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাড়ানো জরুরি। বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ২টায় রাজধানীর রামপুরার ওয়াপদা রোডে অবস্থিত জামিয়া মোহাম্মদিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুপুরের খাবার পরিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের উদ্যোগে এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের প্রেসিডেন্ট লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপারসন হারুনুর রশীদ দুলাল। ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামান।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, প্রয়োজন আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ। এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া একটি মহৎ উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহিত করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের পরিচালক লায়ন মোহাম্মদ মোরশেদ আলম প্রিন্স, ক্লাব পরিচালক এস এম আমান উল্লাহ, লায়ন তৌশিক আহমেদ হিরন, বিএনপি নেতা ও হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের সদস্য খাজা সলিম উল্লাহ টিপু, হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের যুগ্ম সম্পাদক মো. শফিউল্লাহ, শামসুল কবির চৌধুরী এবং হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের সহসভাপতি মো. শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথি। অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য পর্বে সদ্য যোগদানকারী ক্লাব পরিচালক লায়ন তৌশিক আহমেদ হিরনকে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এ সময় তাঁর হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের প্রেসিডেন্ট লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর জোন চেয়ারপারসন লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান।
আলোচনা পর্ব শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ, সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি তোফাজ্জল হোসেন।
আয়োজকদের মতে, এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি মানবিক দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবসেবায় আগ্রহী মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
মানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা, অসহায় মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে সহমর্মিতার চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে লায়ন্স সদস্যদের প্রতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতার কল্যাণে অসহায়, নির্যাতিত, নিপীড়িত, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সদস্যদের আরও আন্তরিক ও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর জোন চেয়ারপারসন লায়ন ও প্রেসক্লাব ফেডারেশনের মহাসচিব শেখ মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটানোই মানবসেবার অন্যতম সার্থকতা। লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রত্যেক সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সেবামূলক উদ্যোগে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে এতিম শিশু, দরিদ্র পরিবার ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাড়ানো জরুরি। বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ২টায় রাজধানীর রামপুরার ওয়াপদা রোডে অবস্থিত জামিয়া মোহাম্মদিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুপুরের খাবার পরিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের উদ্যোগে এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের প্রেসিডেন্ট লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপারসন হারুনুর রশীদ দুলাল। ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামান।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, প্রয়োজন আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ। এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া একটি মহৎ উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহিত করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের পরিচালক লায়ন মোহাম্মদ মোরশেদ আলম প্রিন্স, ক্লাব পরিচালক এস এম আমান উল্লাহ, লায়ন তৌশিক আহমেদ হিরন, বিএনপি নেতা ও হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের সদস্য খাজা সলিম উল্লাহ টিপু, হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের যুগ্ম সম্পাদক মো. শফিউল্লাহ, শামসুল কবির চৌধুরী এবং হাতিরঝিল প্রভাতী সংঘের সহসভাপতি মো. শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথি। অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য পর্বে সদ্য যোগদানকারী ক্লাব পরিচালক লায়ন তৌশিক আহমেদ হিরনকে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এ সময় তাঁর হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের প্রেসিডেন্ট লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি ৩-এর জোন চেয়ারপারসন লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান।
আলোচনা পর্ব শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ, সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি তোফাজ্জল হোসেন।
আয়োজকদের মতে, এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি মানবিক দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবসেবায় আগ্রহী মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
মানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা, অসহায় মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে সহমর্মিতার চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন