টাঙ্গাইলের মধুপুরে চোর সন্দেহে জিহাদ (৮) নামের এক শিশুকে শারীরিক নির্যাতনের পর সারারাত খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে মফেজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।
গতকাল (রবিবার) রাতে মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের গুবুদিয়া এলাকার গফুর বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
শিশুটির নানা মফিজুল ইসলাম ও নানি মোছাঃ বকুলি বেগম জানান, জিহাদের বাবা-মা নেই। গত ছয় বছর ধরে তাঁরা শিশুটিকে লালন-পালন করে আসছেন। জিহাদ গুবুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরির সন্দেহে তুফাইনা ফকিরের ছেলে মফেজ উদ্দিন প্রথমে শিশু জিহাদকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। স্থানীয়রা রাতেই গুরুতর অবস্থায় শিশু জিহাদকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশু নির্যাতনের বিষয়টি ভাইরাল হলে নির্যাতনকারী মফেজ উদ্দিন গাঁঢাকা দিয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশু নির্যাতনের মতো অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, খবর শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তা পাঠিয়েছি। বিষয়টি বিস্তারিত জানর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।alokito solonga news

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুরে চোর সন্দেহে জিহাদ (৮) নামের এক শিশুকে শারীরিক নির্যাতনের পর সারারাত খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে মফেজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।
গতকাল (রবিবার) রাতে মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের গুবুদিয়া এলাকার গফুর বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
শিশুটির নানা মফিজুল ইসলাম ও নানি মোছাঃ বকুলি বেগম জানান, জিহাদের বাবা-মা নেই। গত ছয় বছর ধরে তাঁরা শিশুটিকে লালন-পালন করে আসছেন। জিহাদ গুবুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরির সন্দেহে তুফাইনা ফকিরের ছেলে মফেজ উদ্দিন প্রথমে শিশু জিহাদকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। স্থানীয়রা রাতেই গুরুতর অবস্থায় শিশু জিহাদকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শিশু নির্যাতনের বিষয়টি ভাইরাল হলে নির্যাতনকারী মফেজ উদ্দিন গাঁঢাকা দিয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশু নির্যাতনের মতো অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, খবর শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তা পাঠিয়েছি। বিষয়টি বিস্তারিত জানর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।alokito solonga news

আপনার মতামত লিখুন