স্ট্রোক আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। তিনি চাটমোহর থানায় কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মীদের মধ্যে বইছে শোকের আবহ, স্মৃতিচারণে উঠে আসছে তাঁর কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি।
চাটমোহর থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পাবনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আবুল কালাম আজাদ। থানা থেকে নিজেই ভ্যানে চড়ে সিএনজিতে ওঠার জন্য রওনা হন। এ সময় সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। পরে তাঁর স্ত্রী পাবনায় পৌঁছে তাঁকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, কর্মস্থলে আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে তাঁদের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁকে স্মরণ করে সহকর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
একজন সহকর্মীর আকস্মিক চলে যাওয়া শুধু একটি কর্মস্থলের শূন্যতা নয়, সহকর্মীদের হৃদয়েও তৈরি করেছে গভীর বেদনা। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন থানার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
স্ট্রোক আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। তিনি চাটমোহর থানায় কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মীদের মধ্যে বইছে শোকের আবহ, স্মৃতিচারণে উঠে আসছে তাঁর কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্মৃতি।
চাটমোহর থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পাবনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আবুল কালাম আজাদ। থানা থেকে নিজেই ভ্যানে চড়ে সিএনজিতে ওঠার জন্য রওনা হন। এ সময় সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। পরে তাঁর স্ত্রী পাবনায় পৌঁছে তাঁকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সহকর্মীরা জানান, কর্মস্থলে আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে তাঁদের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সহকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁকে স্মরণ করে সহকর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
একজন সহকর্মীর আকস্মিক চলে যাওয়া শুধু একটি কর্মস্থলের শূন্যতা নয়, সহকর্মীদের হৃদয়েও তৈরি করেছে গভীর বেদনা। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন থানার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

আপনার মতামত লিখুন