জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় হামিদুল শেখ নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হামিদুল শেখ পাঁচবিবি উপজেলার শন্তাদিগর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ স্থানীয় এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে হামিদুল শেখের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার একই বছরের ১৯ আগস্ট পাঁচবিবি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।
মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হামিদুল শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় হামিদুল শেখ নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহমান জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হামিদুল শেখ পাঁচবিবি উপজেলার শন্তাদিগর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ স্থানীয় এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে হামিদুল শেখের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার একই বছরের ১৯ আগস্ট পাঁচবিবি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।
মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হামিদুল শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন