বগুড়ার নন্দীগ্রামে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর ও অর্থ ছিনতাই, ইউনুছ সহ দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর, হাড়ভাঙা জখম ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত রবিবার (৩০ আগস্ট) বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (নন্দীগ্রাম আমলী) আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. মোকছেদুল ইসলাম (৪৬)। তিনি উপজেলার চকরতেশ্বর গ্রামের মৃত আব্দুল সবুরের ছেলে। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— তুলাশন গ্রামের মৃত রব্বানীর ছেলে মো. হারুন (৩৬) এবং মৃত রইছ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে মো. ইউনুছ আলী (৫২)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশীদের সাথে পূর্ব থেকেই বাদীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২২ আগস্ট রাত ৯টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, লাঠি ও চাকু নিয়ে বাদীর বসতবাড়ির সামনে এসে হট্টগোল শুরু করে। মোকছেদুল ঘর থেকে বের হলে তাকে জোরপূর্বক তুলে ইউনুসের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে হারুন লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করে। আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম হাতে লাগলে তিনি গুরুতর জখম হন। পরবর্তীতে বুকে আঘাত করলে তার বুকের হাড় ভেঙে যায়। দফায় দফায় অমানুষিক নির্যাতনের পর তাকে মৃত ভেবে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। যাওয়ার সময় তার পকেটে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরদিন সকালে বাদীর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি ইউনুছ আলী পূর্বে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমানে তিনি ভোল পাল্টে 'পদবিহীন জামায়াত' পরিচয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রামে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর ও অর্থ ছিনতাই, ইউনুছ সহ দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর, হাড়ভাঙা জখম ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত রবিবার (৩০ আগস্ট) বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (নন্দীগ্রাম আমলী) আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. মোকছেদুল ইসলাম (৪৬)। তিনি উপজেলার চকরতেশ্বর গ্রামের মৃত আব্দুল সবুরের ছেলে। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— তুলাশন গ্রামের মৃত রব্বানীর ছেলে মো. হারুন (৩৬) এবং মৃত রইছ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে মো. ইউনুছ আলী (৫২)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশীদের সাথে পূর্ব থেকেই বাদীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ২২ আগস্ট রাত ৯টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, লাঠি ও চাকু নিয়ে বাদীর বসতবাড়ির সামনে এসে হট্টগোল শুরু করে। মোকছেদুল ঘর থেকে বের হলে তাকে জোরপূর্বক তুলে ইউনুসের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে হারুন লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করে। আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাম হাতে লাগলে তিনি গুরুতর জখম হন। পরবর্তীতে বুকে আঘাত করলে তার বুকের হাড় ভেঙে যায়। দফায় দফায় অমানুষিক নির্যাতনের পর তাকে মৃত ভেবে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। যাওয়ার সময় তার পকেটে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরদিন সকালে বাদীর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি ইউনুছ আলী পূর্বে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমানে তিনি ভোল পাল্টে 'পদবিহীন জামায়াত' পরিচয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন