চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পৃথক ঘটনায় এক শিক্ষকসহ তিনজনকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরমধ্যে এক শিক্ষককে সাময়িক এবং দুই শিক্ষার্থীকে যথাক্রমে স্থায়ী ও এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।অন্যদিকে, সহকারী প্রক্টরের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত পাওয়া এক শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ স্থগিত করে ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।রোববার (৬ আগস্ট) বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী (পিলু)-কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওয়াসিমকে বহিষ্কার করা হয় স্থায়ীভাবে। একই ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাহসির হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কোরবান আলীর গায়ে হাত তোলার ঘটনায় আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা এনায়েত এমিকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলে হাইকোর্ট তার স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একইসঙ্গে তাকে দেওয়া হয় ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আফসানা এনায়েত এমি তার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত তাকে ছয় মাসের বহিষ্কার দেন। মামলা পরিচালনায় সময় গড়ানোর কারণে ওই ছয় মাস ইতোমধ্যে অতিবাহিত হয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া শাস্তিও বাস্তবায়িত হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট এ শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে স্থায়ী এবং একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হয়েছে।’

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পৃথক ঘটনায় এক শিক্ষকসহ তিনজনকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরমধ্যে এক শিক্ষককে সাময়িক এবং দুই শিক্ষার্থীকে যথাক্রমে স্থায়ী ও এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।অন্যদিকে, সহকারী প্রক্টরের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত পাওয়া এক শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ স্থগিত করে ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।রোববার (৬ আগস্ট) বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী (পিলু)-কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওয়াসিমকে বহিষ্কার করা হয় স্থায়ীভাবে। একই ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাহসির হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কোরবান আলীর গায়ে হাত তোলার ঘটনায় আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা এনায়েত এমিকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলে হাইকোর্ট তার স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একইসঙ্গে তাকে দেওয়া হয় ছয় মাসের বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আফসানা এনায়েত এমি তার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত তাকে ছয় মাসের বহিষ্কার দেন। মামলা পরিচালনায় সময় গড়ানোর কারণে ওই ছয় মাস ইতোমধ্যে অতিবাহিত হয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া শাস্তিও বাস্তবায়িত হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট এ শিক্ষককে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে স্থায়ী এবং একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন