দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​"



লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​"
লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​"

পাট কাটার পরেই নাটোরের লালপুর উপজেলায় পুরোদমে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান রোপণের কাজ। জমি প্রস্তুত, বীজতলা থেকে চারা তোলা, সেচ ও চারা রোপণে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। তবে এ বছর কৃষি উপকরণের দাম, সেচ খরচ, পাওয়ার টিলারের ভাড়া এবং শ্রমিক সংকট ও বাড়তি মজুরির কারণে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন তারা।​সরেজমিনে আড়বাব গ্রামের কৃষক হাসেম আলী, নওদাপাড়া গ্রামের আঃ রশিদ, দুয়ারিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম এবং দুড়দুড়িয়া গ্রামের সাদেকসহ একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত বছর যেখানে দিনে শ্রমিকদের মজুরি ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। চড়া মজুরি দিয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক মিলছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে নিজেরাই জমিতে ধান রোপণের কাজ করছেন।​অন্যদিকে, জমিতে হাল চাষে ব্যবহৃত পাওয়ার টিলারের মালিকরাও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর প্রতি ২০ শতাংশ জমিতে হাল চাষের খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা এবার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় ঠেকেছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও সময়মতো পাওয়ার টিলার পাওয়া যাচ্ছে না; দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এছাড়া উপর বৃষ্টি না থাকায়  দূরের শ্যাওলা (স্যালো) মেশিন থেকে দীর্ঘ পাইপলাইন টেনে জমিতে পানি নিতে গিয়ে সেচ খরচও অনেকটা বেড়ে গেছে।​কৃষকরা ব্রি ধান-১০৩,ব্রি ধান-৮৭,ব্রি ধান-৭৪ জাতের চারা রোপণ করছেন,তবে ব্রি ধান-১০৩ দিকে কৃষকরা বেশি ঝুকছে, কারণ এই ধানের চাউল চিকন ও ভাত মিষ্টি সুন্দর লাগে খেতে কৃষকদের সাথে একান্ত আলাপ কালে এই তথ্য জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরে লালপুরে ৯ হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।​

এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সময়মতো সেচ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​"

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাট কাটার পরেই নাটোরের লালপুর উপজেলায় পুরোদমে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান রোপণের কাজ। জমি প্রস্তুত, বীজতলা থেকে চারা তোলা, সেচ ও চারা রোপণে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। তবে এ বছর কৃষি উপকরণের দাম, সেচ খরচ, পাওয়ার টিলারের ভাড়া এবং শ্রমিক সংকট ও বাড়তি মজুরির কারণে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন তারা।​সরেজমিনে আড়বাব গ্রামের কৃষক হাসেম আলী, নওদাপাড়া গ্রামের আঃ রশিদ, দুয়ারিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম এবং দুড়দুড়িয়া গ্রামের সাদেকসহ একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত বছর যেখানে দিনে শ্রমিকদের মজুরি ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। চড়া মজুরি দিয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক মিলছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে নিজেরাই জমিতে ধান রোপণের কাজ করছেন।​অন্যদিকে, জমিতে হাল চাষে ব্যবহৃত পাওয়ার টিলারের মালিকরাও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর প্রতি ২০ শতাংশ জমিতে হাল চাষের খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা এবার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় ঠেকেছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও সময়মতো পাওয়ার টিলার পাওয়া যাচ্ছে না; দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এছাড়া উপর বৃষ্টি না থাকায়  দূরের শ্যাওলা (স্যালো) মেশিন থেকে দীর্ঘ পাইপলাইন টেনে জমিতে পানি নিতে গিয়ে সেচ খরচও অনেকটা বেড়ে গেছে।​কৃষকরা ব্রি ধান-১০৩,ব্রি ধান-৮৭,ব্রি ধান-৭৪ জাতের চারা রোপণ করছেন,তবে ব্রি ধান-১০৩ দিকে কৃষকরা বেশি ঝুকছে, কারণ এই ধানের চাউল চিকন ও ভাত মিষ্টি সুন্দর লাগে খেতে কৃষকদের সাথে একান্ত আলাপ কালে এই তথ্য জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরে লালপুরে ৯ হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।​

এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সময়মতো সেচ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

প্রধান উপদেষ্টা :
খান সেলিম রহমান (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা
উপদেষ্টাঃ
আওরঙ্গজেব কামাল- (সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার (সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির (দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ (সাধারণ সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ জাকির হোসেন (সাধারণ সম্পাদক হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মিজানুর রহমান মিজান (সাংগঠনিক সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ সাইদুল ইসলাম আবির সম্পাদক খোলা বার্তা
বার্তা সম্পাদক: লাবনী খাতুন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ লুৎফর রহমান লিটন স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত প্রত্রিকা কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব

চেয়ারম্যানঃ মোঃ লুৎফর রহমান লিটন Email: dailyalokitosolanga@gmail.com মোবাইল: ০১৭৫৯০০৩৩৫৮ কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা