জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ভগ্নিপতি ও তার ১২ বছর বয়সী শ্যালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী।
সোমবার (১ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার নিশ্চিন্তা বাজার-চানপাড়া আঞ্চলিক সড়কের খড়িকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কালাই উপজেলার সরাইল গ্রামের তাজুল ইসলাম খন্দকারের ছেলে ইমন সরকার (২৮) এবং তার শ্যালক হারুঞ্জা গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস (১২)। আহত হয়েছেন ইমনের স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন (১৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে রওনা দেন ইমন সরকার, তার স্ত্রী ও শ্যালক ফেরদৌস। পথে খড়িকাটা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ইমন সরকার ও ফেরদৌস। গুরুতর আহত হন সুরাইয়া খাতুন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ধান কাটার মৌসুমে ওই আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন স্থানে খড় ও ধান শুকানোর জন্য রাস্তার ওপর ছড়িয়ে রাখা হয়। এতে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সড়কে ছড়িয়ে থাকা খড়ের কারণে মোটরসাইকেলটি পিছলে নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল আলম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ভগ্নিপতি ও তার ১২ বছর বয়সী শ্যালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী।
সোমবার (১ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার নিশ্চিন্তা বাজার-চানপাড়া আঞ্চলিক সড়কের খড়িকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কালাই উপজেলার সরাইল গ্রামের তাজুল ইসলাম খন্দকারের ছেলে ইমন সরকার (২৮) এবং তার শ্যালক হারুঞ্জা গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস (১২)। আহত হয়েছেন ইমনের স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন (১৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে রওনা দেন ইমন সরকার, তার স্ত্রী ও শ্যালক ফেরদৌস। পথে খড়িকাটা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ইমন সরকার ও ফেরদৌস। গুরুতর আহত হন সুরাইয়া খাতুন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ধান কাটার মৌসুমে ওই আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন স্থানে খড় ও ধান শুকানোর জন্য রাস্তার ওপর ছড়িয়ে রাখা হয়। এতে সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সড়কে ছড়িয়ে থাকা খড়ের কারণে মোটরসাইকেলটি পিছলে নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুল আলম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন