রাজশাহীর বাঘা থানাধীন পাকুড়িয়া বেল্লালের মোড়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার মূল হোতা দুর্ধর্ষ ডাকাত মো. আব্দুর রহিম (২৩) কে গ্রেফতার করেছে বাঘা থানা পুলিশ।
জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে, বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া বেল্লালের মোড়ে দুটি বাড়িতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ একদল ডাকাত ডাকাতি সংঘটিত করে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে বাঘা থানায় মামলা নং-৭, জিআর নং-২২৪, তারিখ- ১১.০৯.২০২৫, ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সিফাত রেজা। তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মামলার সঙ্গে জড়িত মূল আসামি আব্দুর রহিমকে সনাক্ত করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানাধীন এলাকা থেকে এসআই সিফাত রেজা ও তার টিম অভিযান পরিচালনা করে দুর্ধর্ষ ডাকাত আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারের পর আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। পরে ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালতে উপস্থিত হয়ে আসামি স্বেচ্ছায় তার অপরাধ স্বীকার করে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সিফাত রেজা জানান, ঘটনাটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে। মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমাদের টিমের বুদ্ধিমত্তা ও পেশাদারিত্বের ফলে একটি জটিল ডাকাতি মামলার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। এই সফল অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই সিফাত রেজা ও তার টিম প্রশংসার দাবিদার।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এমন পেশাদার ও সাহসিকতাপূর্ণ ভূমিকার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ জনগণ বাঘা থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
রাজশাহীর বাঘা থানাধীন পাকুড়িয়া বেল্লালের মোড়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার মূল হোতা দুর্ধর্ষ ডাকাত মো. আব্দুর রহিম (২৩) কে গ্রেফতার করেছে বাঘা থানা পুলিশ।
জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে, বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া বেল্লালের মোড়ে দুটি বাড়িতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ একদল ডাকাত ডাকাতি সংঘটিত করে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে বাঘা থানায় মামলা নং-৭, জিআর নং-২২৪, তারিখ- ১১.০৯.২০২৫, ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সিফাত রেজা। তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মামলার সঙ্গে জড়িত মূল আসামি আব্দুর রহিমকে সনাক্ত করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানাধীন এলাকা থেকে এসআই সিফাত রেজা ও তার টিম অভিযান পরিচালনা করে দুর্ধর্ষ ডাকাত আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারের পর আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। পরে ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালতে উপস্থিত হয়ে আসামি স্বেচ্ছায় তার অপরাধ স্বীকার করে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. সিফাত রেজা জানান, ঘটনাটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে। মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামিদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমাদের টিমের বুদ্ধিমত্তা ও পেশাদারিত্বের ফলে একটি জটিল ডাকাতি মামলার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। এই সফল অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই সিফাত রেজা ও তার টিম প্রশংসার দাবিদার।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এমন পেশাদার ও সাহসিকতাপূর্ণ ভূমিকার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ জনগণ বাঘা থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন