:নিজের জন্মদাতা মায়ের গায়ে হাত তোলার চেয়ে বড় অপরাধ আর কী হতে পারে? এমনই এক মর্মস্পর্শী ও নির্মম ঘটনা ঘটেছে নাটোরের লালপুর উপজেলায়। মাদকাসক্ত সন্তানের অব্যাহত নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে নিজের নিরাপত্তা ও সুবিচারের আশায় ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে হাজির হয়েছিলেন এক অসহায় মা।মায়ের সেই আকুল আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে নামে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস দল। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে অভিযুক্ত সন্তান আলামিন (২৩)-কে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আলামিনকে লালপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হয়। আদালত সমস্ত তথ্যপ্রমাণ ও অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী অপরাধী আলামিনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, মাদক শুধু একটি জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো একটি পরিবারকে নরকে পরিণত করে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।এই ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী প্রশাসনের এমন দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে সমাজ থেকে মাদকের করাল গ্রাস রুখতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
:নিজের জন্মদাতা মায়ের গায়ে হাত তোলার চেয়ে বড় অপরাধ আর কী হতে পারে? এমনই এক মর্মস্পর্শী ও নির্মম ঘটনা ঘটেছে নাটোরের লালপুর উপজেলায়। মাদকাসক্ত সন্তানের অব্যাহত নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে নিজের নিরাপত্তা ও সুবিচারের আশায় ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে হাজির হয়েছিলেন এক অসহায় মা।মায়ের সেই আকুল আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে নামে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস দল। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে অভিযুক্ত সন্তান আলামিন (২৩)-কে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আলামিনকে লালপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হয়। আদালত সমস্ত তথ্যপ্রমাণ ও অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী অপরাধী আলামিনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, মাদক শুধু একটি জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো একটি পরিবারকে নরকে পরিণত করে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।এই ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী প্রশাসনের এমন দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে সমাজ থেকে মাদকের করাল গ্রাস রুখতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন