আসন্ন ৬ নং আমদই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসন ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ আসনে সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় মুখ শামীমা আক্তার সাথীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মতবিনিময় ও আলোচনা সভা যেন পরিণত হয়েছিল জনসমুদ্রে। ভোটারদের স্পষ্ট বার্তা—আবেগ আর গড্ডালিকা প্রবাহে নয়, তারা এবার একজন শিক্ষিত, যোগ্য ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৭টায় জয়পুরহাট সদর উপজেলা কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আধ্যাত্মিক ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই আলোচনা সভা শুরু হয়। নাজেমউদ্দিন মন্ডলের পবিত্র কুরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়ে সূচিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবু মুছা সরকার এবং সার্বিক পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন আহসান হাবীব মিঠু।
সন্ধ্যা গড়াতেই কয়তাহার, বাকিলা, হাটুভাংগা ও মাধায়নগরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে মিছিল নিয়ে কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় অভিমুখে ছুটতে থাকেন। রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই সভায় নারী-পুরুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী মিলিয়ে প্রায় ২,৭০০ থেকে ৩,০০০ মানুষের উপচে পড়া উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান প্রমাণ করে প্রার্থীর প্রতি জনগণের আস্থা কতটা গভীর।
সভায় প্রধান আকর্ষণ ছিলেন সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী শামীমা আক্তার সাথী। উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, "ভোট মানুষের একটি পবিত্র আমানত, আমি নির্বাচিত হলে কোনোভাবেই সেই আমানতের খেয়ানত করব না। কারণ মৃত্যুর পর সবাইকে মহান আল্লাহর কাছে প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে হবে। আমি এমন কিছু কাজ করে যেতে চাই, যেন মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।"
নিজের সততা ও সমাজসেবার সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সাথী আরও জানান, তিনি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম নারীদের সার্বিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় জোর দেবেন। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ভিডব্লিউবি/ভিজিডি কার্ডের চাল এবং রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার মতো মৌলিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনে কোনো সাধারণ মানুষকে এক টাকাও ঘুষ বা অর্থ দিতে হবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রার্থীর এমন নীতিগত ও দায়িত্বশীল বক্তব্যে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয়দের মতে, সাথীর উচ্চশিক্ষা, নম্র আচরণ এবং ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক মূল্যবোধ তাকে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সভায় প্রার্থীর সমর্থনে বক্তব্য রাখেন কাহার দেওয়ান, শামীম মন্ডল, ফারুক শেখ, জাকের সরকার, গোলাম মোস্তাফা বাবলু, আলাল সরকারসহ এলাকার আরও বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বক্তারা একযোগে বলেন, একটি উন্নত ও সুশাসিত সমাজ গঠনে শিক্ষিত ও সৎ জনপ্রতিনিধির কোনো বিকল্প নেই, আর শামীমা আক্তার সাথীই সেই প্রত্যাশা পূরণের যোগ্য প্রার্থী।
কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের এই অভূতপূর্ব জনসমাগম ও মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে শামীমা আক্তার সাথীর জয়ের পথকে অত্যন্ত শক্ত ও সুসংহত করে তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন ৬ নং আমদই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসন ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ আসনে সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় মুখ শামীমা আক্তার সাথীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মতবিনিময় ও আলোচনা সভা যেন পরিণত হয়েছিল জনসমুদ্রে। ভোটারদের স্পষ্ট বার্তা—আবেগ আর গড্ডালিকা প্রবাহে নয়, তারা এবার একজন শিক্ষিত, যোগ্য ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্বকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৭টায় জয়পুরহাট সদর উপজেলা কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আধ্যাত্মিক ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই আলোচনা সভা শুরু হয়। নাজেমউদ্দিন মন্ডলের পবিত্র কুরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়ে সূচিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবু মুছা সরকার এবং সার্বিক পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন আহসান হাবীব মিঠু।
সন্ধ্যা গড়াতেই কয়তাহার, বাকিলা, হাটুভাংগা ও মাধায়নগরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে মিছিল নিয়ে কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় অভিমুখে ছুটতে থাকেন। রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই সভায় নারী-পুরুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী মিলিয়ে প্রায় ২,৭০০ থেকে ৩,০০০ মানুষের উপচে পড়া উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান প্রমাণ করে প্রার্থীর প্রতি জনগণের আস্থা কতটা গভীর।
সভায় প্রধান আকর্ষণ ছিলেন সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী শামীমা আক্তার সাথী। উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, "ভোট মানুষের একটি পবিত্র আমানত, আমি নির্বাচিত হলে কোনোভাবেই সেই আমানতের খেয়ানত করব না। কারণ মৃত্যুর পর সবাইকে মহান আল্লাহর কাছে প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে হবে। আমি এমন কিছু কাজ করে যেতে চাই, যেন মৃত্যুর পরেও মানুষ আমাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।"
নিজের সততা ও সমাজসেবার সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সাথী আরও জানান, তিনি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম নারীদের সার্বিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় জোর দেবেন। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ভিডব্লিউবি/ভিজিডি কার্ডের চাল এবং রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার মতো মৌলিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনে কোনো সাধারণ মানুষকে এক টাকাও ঘুষ বা অর্থ দিতে হবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রার্থীর এমন নীতিগত ও দায়িত্বশীল বক্তব্যে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয়দের মতে, সাথীর উচ্চশিক্ষা, নম্র আচরণ এবং ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক মূল্যবোধ তাকে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সভায় প্রার্থীর সমর্থনে বক্তব্য রাখেন কাহার দেওয়ান, শামীম মন্ডল, ফারুক শেখ, জাকের সরকার, গোলাম মোস্তাফা বাবলু, আলাল সরকারসহ এলাকার আরও বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বক্তারা একযোগে বলেন, একটি উন্নত ও সুশাসিত সমাজ গঠনে শিক্ষিত ও সৎ জনপ্রতিনিধির কোনো বিকল্প নেই, আর শামীমা আক্তার সাথীই সেই প্রত্যাশা পূরণের যোগ্য প্রার্থী।
কয়তাহার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের এই অভূতপূর্ব জনসমাগম ও মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে শামীমা আক্তার সাথীর জয়ের পথকে অত্যন্ত শক্ত ও সুসংহত করে তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন