শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এবং
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মিল্টন হোসেন মুন্সী।
তিনি ১৮ ই অক্টোবর রবিবার বিকেল থেকে গভীররাত পর্যন্ত বারাসাত ইউনিয়নের ভুজনীয়া, সীতারামপুর, কালিনগর, মথুরাপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য এবং স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও দুর্গোৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
মতবিনিময়কালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিল্টন হোসেন মুন্সী বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার-বাংলাদেশ সবার।” বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। শারদীয় দুর্গোৎসব কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, তেরখাদা উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে বসবাস করেন। হিংসা-প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে উৎসবের আনন্দ উপভোেগ করার আহ্বান জানান তিনি।
মিল্টন হোসেন মুন্সী আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতায় শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হবে। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সম্মানিত সদস্য মোঃ সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ সোহাগ মুন্সী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন আমিন, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিথি বেগম, বিএনপি নেতা অভিজিত বিশ্বাসসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে মিল্টন হোসেন মুন্সী স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এবং
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মিল্টন হোসেন মুন্সী।
তিনি ১৮ ই অক্টোবর রবিবার বিকেল থেকে গভীররাত পর্যন্ত বারাসাত ইউনিয়নের ভুজনীয়া, সীতারামপুর, কালিনগর, মথুরাপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য এবং স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন ও দুর্গোৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
মতবিনিময়কালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিল্টন হোসেন মুন্সী বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার-বাংলাদেশ সবার।” বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। শারদীয় দুর্গোৎসব কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, তেরখাদা উপজেলা দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে বসবাস করেন। হিংসা-প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে উৎসবের আনন্দ উপভোেগ করার আহ্বান জানান তিনি।
মিল্টন হোসেন মুন্সী আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতায় শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হবে। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সম্মানিত সদস্য মোঃ সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ সোহাগ মুন্সী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন আমিন, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিথি বেগম, বিএনপি নেতা অভিজিত বিশ্বাসসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে মিল্টন হোসেন মুন্সী স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন