গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় ফিরোজ সিকদার নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর এলাকায় ১৫ বছরের ওই কিশোরীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন ফিরোজ সিকদার। কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের রায় শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধ প্রতিরোধে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সট: মো. তৌফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, গোপালগঞ্জ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় ফিরোজ সিকদার নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর এলাকায় ১৫ বছরের ওই কিশোরীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন ফিরোজ সিকদার। কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার কাশিয়ানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. তৌফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের রায় শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধ প্রতিরোধে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সট: মো. তৌফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, গোপালগঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন