দীর্ঘ দুই বছর চার মাস কাজ করার পর কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাগরিক টেলিভিশনের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু এই অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, অব্যাহতির পর তার কাছে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা চাওয়া হয়। আর্থিক সংকটের কারণে ওই টাকা দিতে না পারায় তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান বাবু জানান, হঠাৎ করেই তাকে অব্যাহতির কথা জানানো হয়। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে এক মাস সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে সেই সময় দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে তার স্থলে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নাগরিক টেলিভিশনের সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছর চার মাস ধরে কাজ করছি। হঠাৎ কোনো নোটিশ ছাড়াই আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমি এক মাস সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু সময় পাইনি। টাকা দিতে না পারার পর আমার জায়গায় অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
তার কাছে থাকা নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ মে নাগরিক টেলিভিশনের বার্তা বিভাগ থেকে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগের চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে ১৯ মে ২০২৪ থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগপত্রে বার্তা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দীপ আজাদের স্বাক্ষর রয়েছে।
এছাড়া তার কাছে নাগরিক টেলিভিশনের একটি প্রেস কার্ড রয়েছে, যেখানে ‘Correspondent, Sunamgonj’ হিসেবে তার পরিচয় উল্লেখ আছে এবং মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত দেওয়া রয়েছে।
ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জানান, বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি নাগরিক টেলিভিশনের হেড অব নিউজ সাখাওয়াত হোসেন নবীনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
তবে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা চাওয়ার অভিযোগ, অব্যাহতির সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সম্পর্কে নাগরিক টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ দুই বছর চার মাস কাজ করার পর কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাগরিক টেলিভিশনের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু এই অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, অব্যাহতির পর তার কাছে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা চাওয়া হয়। আর্থিক সংকটের কারণে ওই টাকা দিতে না পারায় তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান বাবু জানান, হঠাৎ করেই তাকে অব্যাহতির কথা জানানো হয়। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে এক মাস সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে সেই সময় দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে তার স্থলে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নাগরিক টেলিভিশনের সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছর চার মাস ধরে কাজ করছি। হঠাৎ কোনো নোটিশ ছাড়াই আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমি এক মাস সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু সময় পাইনি। টাকা দিতে না পারার পর আমার জায়গায় অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
তার কাছে থাকা নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ মে নাগরিক টেলিভিশনের বার্তা বিভাগ থেকে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগের চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে ১৯ মে ২০২৪ থেকে নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগপত্রে বার্তা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দীপ আজাদের স্বাক্ষর রয়েছে।
এছাড়া তার কাছে নাগরিক টেলিভিশনের একটি প্রেস কার্ড রয়েছে, যেখানে ‘Correspondent, Sunamgonj’ হিসেবে তার পরিচয় উল্লেখ আছে এবং মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত দেওয়া রয়েছে।
ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জানান, বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি নাগরিক টেলিভিশনের হেড অব নিউজ সাখাওয়াত হোসেন নবীনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
তবে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা চাওয়ার অভিযোগ, অব্যাহতির সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সম্পর্কে নাগরিক টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন