দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে কর্মরত আউট সোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পূর্ণ প্রদান না করে নিজস্ব মনোনীত প্রার্থীদেরকে নিয়োগ কমিটি অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে খনির গেঁটে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন।
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে বিসিএমসিএল এর আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারী মোঃ তোফায়েল হোসেন বক্তব্যে বলেন, আমরা মানব বন্ধনের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাতে চাই যে, আমরা বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এ আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারী। দীর্ঘ প্রায় ২০-২৫ বছর যাবৎ দক্ষতা ও সুনামের সহিত কাজ করে আসছি। কয়লা খনির কারণে জমি অধিগ্রহণের ফলে আমাদের অনেকেই বসত-ভিটা, ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা এমনকি বাব-দাদার কবরস্থান পর্যন্ত হারিয়েছি।
গত ১৫ মে ২০০৯ তারিখে বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকের ৮ ধারায় ক্ষতিগ্রস্তদের কয়লা খনিতে চাকুরীর ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারি নীতিমালা শিথিল করে চাকুরী প্রদানের সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। প্রথম হতেই অত্র কোম্পানিতে ক্ষতিগ্রস্থদের স্থায়ী নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও অদ্যবধি আউটসোর্সিং কর্মচারী হিসেবে রেখে সকল সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মনগড়া পরীক্ষার মাধ্যমে আবারও আমাদের বঞ্চিত করে অবৈধভাবে বহিরাগতদের অর্থাৎ বিসিএমসিএল-এর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের আত্বীয় স্বজনদের নিয়োগ প্রচেষ্টা চলছে, যা স্থগিত রেখে, বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তি মোতাবেক সরকারী নীতিমালা শিথিল করে এবং মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায়ের ভিত্তিতে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের দফা নম্বর ২৯৫/৬০/২০০৫-এর ৩.৩ এর সিদ্ধান্তের আলোকে কমিটি গঠন করে জরুরী ভিত্তিতে সকল পিটিশনারদের স্থায়ী নিয়োগ প্রদানের জন্য রায় দেন। বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল) বাংলাদেশের একমাত্র উৎপাদনশীল ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানও বটে। উক্ত কোম্পানিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত থেকে কয়লা খনির কাজে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে কিন্তু চাকুরী স্থায়ী না হওয়ায় আমরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত।
উল্লেখ্য যে, গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয়দের খনিতে ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের জন্য প্রতিবেদন দাখিল করেন। এছাড়াও, আমাদের যে সকল কর্মচারীগণ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেননি তাদেকেও পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করার দাবি জানান। (তিতাসের রীট পিটিশং নম্বর ২৬৪৭/২০১৬ মতকরে পুন:নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যেমন নিয়োগ প্রদান করা হয়) যা আমাদের রায় ১২৮৮/২০১৮ তে উল্লেখ রয়েছে।
বিসিএমসিএল-এ বিদ্যমান সাংগঠনিক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) অনুযায়ী কর্মচারী পদে বহু স্থায়ী পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও অল্প কিছু নিয়োগের মাধ্যমে তাহারা তাহাদের মনোনীত কর্মচারী নিয়োগের মধ্যদিয়ে ২০০৯ সালের বিজ্ঞপ্তির পরিসমাপ্তি ঘটানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি কোন পদ বিলুপ্ত হয় তবে সেই পদসমূহের বিপরীতে সমমান পদসমূহে দেওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে বৃদ্ধাআঙুলি দেখিয়ে আমাদেরকে বঞ্চিত করেন। বিসিএমসিএল-এর কাজের ধরন ও প্রকৃতি ভিন্নতর হওয়ায় ইতঃপূর্বে আমাদেরকে সরকার কর্তৃক ঘোষিত পে-স্কেল (২০১৫) অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ক্ষেত্রমতে আমাদের পদবী পরিবর্তন করা হয়। বেতন-ভাতা কমে যাওয়ায় আমরা আমাদের পরিবারের মৌলিক চাহিদা পুরণে ব্যর্থ হচ্ছি, যা সংবিধানের ১৫-এর পরিপন্থি।
তারা মনগড়া নিয়োগ স্থগিত রেখে, কর্মরত সকল রীটকারীর পক্ষে মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায়ের আলোকে এবং বিসিএমসিএল ও ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হতে অগ্রধিকার ভিত্তিতে সরকারী নীতিমালা শিথিল করে প্রয়োজনে কোম্পানির পরিচালনা পর্যদের দফা নম্বর ২৯৫/৬০/২০০৫-এর ৩.৩ সিদ্ধান্তের মত কমিটি গঠন করে জরুরী ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগ প্রদানের জন্য দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মোঃ তোফায়েল হোসেন, মোঃ লিয়াকত আলী, মোঃ ফরহাদ হোসেন, ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান, শ্রমিক কর্মচারী মোঃ মাহাবুব, ০৯ নং হামিদপুর ইউপির ১৩ গ্রামের আহ্বায়ক মোঃ গোলাম মোস্তফা,পাবর্তীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ এরশাদ, হামিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজওয়ানুল হক। মানববন্ধনে কর্মকর্তা কর্মচারীসহ তাদের পরিবার এবং স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে তারা খনি চত্বরে নিয়োগ প্রক্রিয়া করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কলয়াখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শাহ্ আলম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি একটি মিটিংয়ে আছি এই মুহুর্তে কথা বলা সম্ভব না। এছাড়া কয়লাখনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসক) মোঃ সানাউল্লাহর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্তর বাহিরে আমার কিছু করার নাই। জোর পূর্বক এই মনগড়া নিয়োগ দেওয়া হলে মানববন্ধনসহ কঠোর আন্দোলনের গড়ে তোলাসহ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ঘেরাও করার ঘোষণা দেন। আয়োজনে ছিলেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ১২৮৮/২০১৮ রায়ের কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ প্রেরক,
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
মোবাইল: ০১৭১২-৫৮১৫১২
তারিখ: ০৪.১০.২০২৬

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে কর্মরত আউট সোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পূর্ণ প্রদান না করে নিজস্ব মনোনীত প্রার্থীদেরকে নিয়োগ কমিটি অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে খনির গেঁটে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন।
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে বিসিএমসিএল এর আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারী মোঃ তোফায়েল হোসেন বক্তব্যে বলেন, আমরা মানব বন্ধনের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাতে চাই যে, আমরা বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল)-এ আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মচারী। দীর্ঘ প্রায় ২০-২৫ বছর যাবৎ দক্ষতা ও সুনামের সহিত কাজ করে আসছি। কয়লা খনির কারণে জমি অধিগ্রহণের ফলে আমাদের অনেকেই বসত-ভিটা, ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা এমনকি বাব-দাদার কবরস্থান পর্যন্ত হারিয়েছি।
গত ১৫ মে ২০০৯ তারিখে বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকের ৮ ধারায় ক্ষতিগ্রস্তদের কয়লা খনিতে চাকুরীর ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারি নীতিমালা শিথিল করে চাকুরী প্রদানের সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। প্রথম হতেই অত্র কোম্পানিতে ক্ষতিগ্রস্থদের স্থায়ী নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও অদ্যবধি আউটসোর্সিং কর্মচারী হিসেবে রেখে সকল সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মনগড়া পরীক্ষার মাধ্যমে আবারও আমাদের বঞ্চিত করে অবৈধভাবে বহিরাগতদের অর্থাৎ বিসিএমসিএল-এর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের আত্বীয় স্বজনদের নিয়োগ প্রচেষ্টা চলছে, যা স্থগিত রেখে, বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তি মোতাবেক সরকারী নীতিমালা শিথিল করে এবং মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায়ের ভিত্তিতে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের দফা নম্বর ২৯৫/৬০/২০০৫-এর ৩.৩ এর সিদ্ধান্তের আলোকে কমিটি গঠন করে জরুরী ভিত্তিতে সকল পিটিশনারদের স্থায়ী নিয়োগ প্রদানের জন্য রায় দেন। বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল) বাংলাদেশের একমাত্র উৎপাদনশীল ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানও বটে। উক্ত কোম্পানিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত থেকে কয়লা খনির কাজে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে কিন্তু চাকুরী স্থায়ী না হওয়ায় আমরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত।
উল্লেখ্য যে, গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয়দের খনিতে ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের জন্য প্রতিবেদন দাখিল করেন। এছাড়াও, আমাদের যে সকল কর্মচারীগণ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেননি তাদেকেও পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করার দাবি জানান। (তিতাসের রীট পিটিশং নম্বর ২৬৪৭/২০১৬ মতকরে পুন:নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যেমন নিয়োগ প্রদান করা হয়) যা আমাদের রায় ১২৮৮/২০১৮ তে উল্লেখ রয়েছে।
বিসিএমসিএল-এ বিদ্যমান সাংগঠনিক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) অনুযায়ী কর্মচারী পদে বহু স্থায়ী পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও অল্প কিছু নিয়োগের মাধ্যমে তাহারা তাহাদের মনোনীত কর্মচারী নিয়োগের মধ্যদিয়ে ২০০৯ সালের বিজ্ঞপ্তির পরিসমাপ্তি ঘটানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি কোন পদ বিলুপ্ত হয় তবে সেই পদসমূহের বিপরীতে সমমান পদসমূহে দেওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে বৃদ্ধাআঙুলি দেখিয়ে আমাদেরকে বঞ্চিত করেন। বিসিএমসিএল-এর কাজের ধরন ও প্রকৃতি ভিন্নতর হওয়ায় ইতঃপূর্বে আমাদেরকে সরকার কর্তৃক ঘোষিত পে-স্কেল (২০১৫) অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ক্ষেত্রমতে আমাদের পদবী পরিবর্তন করা হয়। বেতন-ভাতা কমে যাওয়ায় আমরা আমাদের পরিবারের মৌলিক চাহিদা পুরণে ব্যর্থ হচ্ছি, যা সংবিধানের ১৫-এর পরিপন্থি।
তারা মনগড়া নিয়োগ স্থগিত রেখে, কর্মরত সকল রীটকারীর পক্ষে মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন (যাহার নম্বর ১২৮৮/২০১৮) এর রায়ের আলোকে এবং বিসিএমসিএল ও ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হতে অগ্রধিকার ভিত্তিতে সরকারী নীতিমালা শিথিল করে প্রয়োজনে কোম্পানির পরিচালনা পর্যদের দফা নম্বর ২৯৫/৬০/২০০৫-এর ৩.৩ সিদ্ধান্তের মত কমিটি গঠন করে জরুরী ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগ প্রদানের জন্য দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মোঃ তোফায়েল হোসেন, মোঃ লিয়াকত আলী, মোঃ ফরহাদ হোসেন, ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান, শ্রমিক কর্মচারী মোঃ মাহাবুব, ০৯ নং হামিদপুর ইউপির ১৩ গ্রামের আহ্বায়ক মোঃ গোলাম মোস্তফা,পাবর্তীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ এরশাদ, হামিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজওয়ানুল হক। মানববন্ধনে কর্মকর্তা কর্মচারীসহ তাদের পরিবার এবং স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে তারা খনি চত্বরে নিয়োগ প্রক্রিয়া করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কলয়াখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শাহ্ আলম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি একটি মিটিংয়ে আছি এই মুহুর্তে কথা বলা সম্ভব না। এছাড়া কয়লাখনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসক) মোঃ সানাউল্লাহর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্তর বাহিরে আমার কিছু করার নাই। জোর পূর্বক এই মনগড়া নিয়োগ দেওয়া হলে মানববন্ধনসহ কঠোর আন্দোলনের গড়ে তোলাসহ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ঘেরাও করার ঘোষণা দেন। আয়োজনে ছিলেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ১২৮৮/২০১৮ রায়ের কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ প্রেরক,
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
মোবাইল: ০১৭১২-৫৮১৫১২
তারিখ: ০৪.১০.২০২৬

আপনার মতামত লিখুন