দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

অবশেষে তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের দ্বন্দের অবসান



অবশেষে তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের দ্বন্দের অবসান
অবশেষে তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের দ্বন্দের অবসান

অবশেষে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের বিবদমান দু'টি গ্রুপের দ্বন্দের অবসান ঘটেছে। খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম  ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে দ্বন্দের অবসান ঘটিয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মধুপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এড. শহীদুল ইসলাম গ্রুপ ও মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম মোড়ল গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয়। এর মধ্যে সকল রাজনৈতিক দল বিএনপির এই দুই নেতার ঘাড়ে ওঠে। গোটা মধুপুর ইউনিয়ন নিয়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে হামলা-পাল্টা হামলা, মামলা-পাল্টা মামলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে থেকে দুই জন খুন হয়ে যায়। এছাড়া ছোটোখাটো কয়েকটি মামলা হয়। শুরু হয় অস্তিত্বের লড়াই। বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, এলাকাছাড়া করা ইত্যাদি। মধুপুর ইউনিয়নটি মাত্র কয়েকদিনে আতংকের মধুপুর নামে পরিচিতি লাভ করে। মধুপুর ইউনিয়নের অচলাবস্থা দেখে খুলনা-০৪ আসনের সংসদ সদস্য এসকে আজিজুল বারী হেলাল এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী মধুপুর ইউনিয়নে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলেন। এরই ধারাবাহিকতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম মধুপুর ইউনিয়নের বিবদমান দুই গ্রুপের লোকদের নিয়ে  একই স্থানে ডেকে আলোচনা বৈঠকে বসেন। দুই পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করেন। বিভিন্ন আলোচনান্তে অবশেষে দুই গ্রুপের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মিমাংসা সংঘটিত হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সালিশী বৈঠকে প্রধান অতিথি ও উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ আব্দুস সালাম মল্লিক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এফ এম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল হোসেন। সভায় বক্তৃতা করেন বিবদমান গ্রুপের একাংশের নেতা এড. শহীদুল ইসলাম এবং অন্য গ্রুপের নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম মোড়ল। সভায় এছাড়াও দুই গ্রুপের বিশেষ ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আর কোনো সহিংসতা নয়, হামলা মামলা নয়। শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। তিনি বলেন, দন্দ সংঘাত এড়িয়ে থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ এবং সহাবস্থানে বসবাস করতে হবে। মধুপুর ইউনিয়নকে বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে রূপ দিতে হবে। তিনি, উভয় গ্রুপকে  ভবিষ্যতে আর কোনো সংঘাতে না জড়ানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আরও বলেন, এরপরও যদি কেউ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করে তাহলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


অবশেষে তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের দ্বন্দের অবসান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অবশেষে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের বিবদমান দু'টি গ্রুপের দ্বন্দের অবসান ঘটেছে। খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম  ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে তেরখাদা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে দ্বন্দের অবসান ঘটিয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মধুপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এড. শহীদুল ইসলাম গ্রুপ ও মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম মোড়ল গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয়। এর মধ্যে সকল রাজনৈতিক দল বিএনপির এই দুই নেতার ঘাড়ে ওঠে। গোটা মধুপুর ইউনিয়ন নিয়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে হামলা-পাল্টা হামলা, মামলা-পাল্টা মামলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে থেকে দুই জন খুন হয়ে যায়। এছাড়া ছোটোখাটো কয়েকটি মামলা হয়। শুরু হয় অস্তিত্বের লড়াই। বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, এলাকাছাড়া করা ইত্যাদি। মধুপুর ইউনিয়নটি মাত্র কয়েকদিনে আতংকের মধুপুর নামে পরিচিতি লাভ করে। মধুপুর ইউনিয়নের অচলাবস্থা দেখে খুলনা-০৪ আসনের সংসদ সদস্য এসকে আজিজুল বারী হেলাল এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী মধুপুর ইউনিয়নে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলেন। এরই ধারাবাহিকতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম মধুপুর ইউনিয়নের বিবদমান দুই গ্রুপের লোকদের নিয়ে  একই স্থানে ডেকে আলোচনা বৈঠকে বসেন। দুই পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করেন। বিভিন্ন আলোচনান্তে অবশেষে দুই গ্রুপের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মিমাংসা সংঘটিত হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সালিশী বৈঠকে প্রধান অতিথি ও উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ আব্দুস সালাম মল্লিক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এফ এম হাবিবুর রহমান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল হোসেন। সভায় বক্তৃতা করেন বিবদমান গ্রুপের একাংশের নেতা এড. শহীদুল ইসলাম এবং অন্য গ্রুপের নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম মোড়ল। সভায় এছাড়াও দুই গ্রুপের বিশেষ ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, আর কোনো সহিংসতা নয়, হামলা মামলা নয়। শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। তিনি বলেন, দন্দ সংঘাত এড়িয়ে থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ এবং সহাবস্থানে বসবাস করতে হবে। মধুপুর ইউনিয়নকে বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে রূপ দিতে হবে। তিনি, উভয় গ্রুপকে  ভবিষ্যতে আর কোনো সংঘাতে না জড়ানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আরও বলেন, এরপরও যদি কেউ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করে তাহলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

প্রধান উপদেষ্টা :
খান সেলিম রহমান (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা
উপদেষ্টাঃ
আওরঙ্গজেব কামাল- (সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার (সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির (দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ (সাধারণ সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ জাকির হোসেন (সাধারণ সম্পাদক হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব)
উপদেষ্টা: মোঃ মিজানুর রহমান মিজান (সাংগঠনিক সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব)
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ সাইদুল ইসলাম আবির সম্পাদক খোলা বার্তা
বার্তা সম্পাদক: লাবনী খাতুন
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ লুৎফর রহমান লিটন স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত প্রত্রিকা কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব

চেয়ারম্যানঃ মোঃ লুৎফর রহমান লিটন Email: dailyalokitosolanga@gmail.com মোবাইল: ০১৭৫৯০০৩৩৫৮ কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা