ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা এবং রাতের আঁধারে ভাঙচুরের ঘটনায় শোকাহত ও ক্ষুব্ধ নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার সাধারণ মানুষ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর২০২৬) বিকেল ৫টার সময় উপজেলার বিশকাকুনি ইউনিয়নের পুটিকা বাজার জামে মসজিদের নির্মাণাধীন মার্কেট ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
উক্ত মিছিলে মসজিদ কমিটি এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।
শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর এমন আঘাতের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
মসজিদ ও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল মসজিদের আয়ের স্থায়ী উৎস তৈরি করা। সেই উদ্দেশ্যেই বাজারের নির্ধারিত জায়গায় মার্কেট নির্মাণের কাজ চলছিল। রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত নামা দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন সেই স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেয়।
মসজিদ কমিটির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আকস্মিক হামলায় মসজিদের প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একটি পবিত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিতে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আঘাত স্থানীয়দের মনে গভীর ক্ষোভ ও বেদনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগের তীর যাদের দিকে মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানান, সংঘবদ্ধ একটি চক্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা আজিজুল ও কালাম মণ্ডল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা বাশার মণ্ডলের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে হামলা চালায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের জন্যই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বক্তারা অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান, যেন ভবিষ্যতে কেউ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার দুঃসাহস না দেখায়। ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মসজিদ কমিটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “মসজিদের জায়গায় মার্কেট করা হচ্ছিল, সেখানকার পিলারের তিন-চারটা স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ প্রশাসন দ্রুত তৎপরতা দেখিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা এবং রাতের আঁধারে ভাঙচুরের ঘটনায় শোকাহত ও ক্ষুব্ধ নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার সাধারণ মানুষ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর২০২৬) বিকেল ৫টার সময় উপজেলার বিশকাকুনি ইউনিয়নের পুটিকা বাজার জামে মসজিদের নির্মাণাধীন মার্কেট ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
উক্ত মিছিলে মসজিদ কমিটি এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।
শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর এমন আঘাতের তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
মসজিদ ও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল মসজিদের আয়ের স্থায়ী উৎস তৈরি করা। সেই উদ্দেশ্যেই বাজারের নির্ধারিত জায়গায় মার্কেট নির্মাণের কাজ চলছিল। রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত নামা দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন সেই স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেয়।
মসজিদ কমিটির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আকস্মিক হামলায় মসজিদের প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একটি পবিত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিতে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আঘাত স্থানীয়দের মনে গভীর ক্ষোভ ও বেদনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগের তীর যাদের দিকে মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানান, সংঘবদ্ধ একটি চক্র পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা আজিজুল ও কালাম মণ্ডল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা বাশার মণ্ডলের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে হামলা চালায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের জন্যই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বক্তারা অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান, যেন ভবিষ্যতে কেউ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার দুঃসাহস না দেখায়। ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মসজিদ কমিটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “মসজিদের জায়গায় মার্কেট করা হচ্ছিল, সেখানকার পিলারের তিন-চারটা স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ প্রশাসন দ্রুত তৎপরতা দেখিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন