"Stronger Together"- একসাথে, আরও শক্তিশালী জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব গড়ি" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২৬ খ্রি. পালন উপলক্ষ্যে- র্যালি প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে,
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর-২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণ হতে পৌরএলাকার সয়াধানগড়া উত্তর সমাজকল্যাণ মোড় এলাকার কাজিপুর সড়কে র্যালি প্রদর্শন করে আবার জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এসে সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ,কে,এম আনোয়ারুল হক। এসময়ে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা ট্রেনিং অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ সোহেল রানা, ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ তাপস কান্তি দত্ত, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমির হামজা, সদর উপজেলা ভেটেনারী সার্জন ডাঃ মোঃ মেজবাহ উদ্দিন, সহ জেলা উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, সুধীজন, সাধারণ মানুষ এবং সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতা সৃষ্টিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ ও ২৮ সেপ্টেম্বর সরকারি-বেসকারিভাবে পালিত হয় এই বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জলাতঙ্ক (র্যাবিস) মূলত র্যাবডোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাস। এটি কুকুর, শেয়াল, বাদুর ও বেজিসহ অন্যান্য উষ্ণ রক্তের প্রাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিইএইচও) তথ্য অনুযায়ী, জলাতঙ্কে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ মারা যান, যা ১৫০টিরও বেশি দেশে ঘটছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ মৃত্যু এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে ঘটে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের পরপরই সঠিক চিকিৎসা নিলে এই রোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চলতি বছর জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সকলেই রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই হাসপাতালে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের শিকার রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। মারা যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে ৩৪ জন কুকুরের কামড়ে এবং চারজন বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বিড়ালের কামড় বা আঁচড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী এই ধরনের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
"Stronger Together"- একসাথে, আরও শক্তিশালী জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব গড়ি" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২৬ খ্রি. পালন উপলক্ষ্যে- র্যালি প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে,
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর-২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গণ হতে পৌরএলাকার সয়াধানগড়া উত্তর সমাজকল্যাণ মোড় এলাকার কাজিপুর সড়কে র্যালি প্রদর্শন করে আবার জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এসে সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ,কে,এম আনোয়ারুল হক। এসময়ে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা ট্রেনিং অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ সোহেল রানা, ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ তাপস কান্তি দত্ত, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমির হামজা, সদর উপজেলা ভেটেনারী সার্জন ডাঃ মোঃ মেজবাহ উদ্দিন, সহ জেলা উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, সুধীজন, সাধারণ মানুষ এবং সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতা সৃষ্টিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ ও ২৮ সেপ্টেম্বর সরকারি-বেসকারিভাবে পালিত হয় এই বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জলাতঙ্ক (র্যাবিস) মূলত র্যাবডোভাইরাস পরিবারের একটি ভাইরাস। এটি কুকুর, শেয়াল, বাদুর ও বেজিসহ অন্যান্য উষ্ণ রক্তের প্রাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিইএইচও) তথ্য অনুযায়ী, জলাতঙ্কে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ মারা যান, যা ১৫০টিরও বেশি দেশে ঘটছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ মৃত্যু এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে ঘটে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের পরপরই সঠিক চিকিৎসা নিলে এই রোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চলতি বছর জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সকলেই রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই হাসপাতালে কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের শিকার রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। মারা যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে ৩৪ জন কুকুরের কামড়ে এবং চারজন বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বিড়ালের কামড় বা আঁচড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী এই ধরনের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন।

আপনার মতামত লিখুন