ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা থেকে একটি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি গাছ বিক্রির টাকা মসজিদে দান করার কথা বললেও সংশ্লিষ্ট মসজিদ পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে, তারা কোনো টাকা পাননি।
অভিযুক্ত মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে দেলোয়ার শেখ উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখীর পশ্চিমপাড়া গ্রামের ছলেমান শেখের ছেলে। তিনি চতুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বাইখীর চৌরাস্তা সংলগ্ন সড়কের পাশের সরকারি জায়গা থেকে রাতের আঁধারে মেহগনি গাছটি কেটে নেওয়া হয়। পরে গাছটি বিক্রি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ওরফে দেলোয়ার শেখ বলেন, ‘আমি সড়কের পাশের গাছ কেটে বিক্রি করে ওই টাকা বাইখীর চৌরাস্তা বাজার জামে মসজিদে দান করেছি। আপনি ইউএনওর কাছে নালিশ দিয়ে কিছু করতে পারলে করেন। তবে গাছটি কত টাকায় বিক্রি করেছেন, তা জানাতে রাজি হননি তিনি।
তবে সংশ্লিষ্ট মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘ওই ব্যক্তি কোনো টাকা মসজিদে দান করেননি। আর সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রি করে সেই টাকা কেন মসজিদকে দেবে?
চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। সরকারি জায়গার গাছ কাটার কোনো এখতিয়ার তার নেই। আমি এ বিষয়ে কোনো অনুমতিও দিইনি। এ ধরনের কাজ আমি সমর্থন করি না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, "আমি ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। আমি আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমার হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য দিন, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।"

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা থেকে একটি মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি গাছ বিক্রির টাকা মসজিদে দান করার কথা বললেও সংশ্লিষ্ট মসজিদ পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে, তারা কোনো টাকা পাননি।
অভিযুক্ত মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে দেলোয়ার শেখ উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখীর পশ্চিমপাড়া গ্রামের ছলেমান শেখের ছেলে। তিনি চতুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বাইখীর চৌরাস্তা সংলগ্ন সড়কের পাশের সরকারি জায়গা থেকে রাতের আঁধারে মেহগনি গাছটি কেটে নেওয়া হয়। পরে গাছটি বিক্রি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ওরফে দেলোয়ার শেখ বলেন, ‘আমি সড়কের পাশের গাছ কেটে বিক্রি করে ওই টাকা বাইখীর চৌরাস্তা বাজার জামে মসজিদে দান করেছি। আপনি ইউএনওর কাছে নালিশ দিয়ে কিছু করতে পারলে করেন। তবে গাছটি কত টাকায় বিক্রি করেছেন, তা জানাতে রাজি হননি তিনি।
তবে সংশ্লিষ্ট মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘ওই ব্যক্তি কোনো টাকা মসজিদে দান করেননি। আর সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রি করে সেই টাকা কেন মসজিদকে দেবে?
চতুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই। সরকারি জায়গার গাছ কাটার কোনো এখতিয়ার তার নেই। আমি এ বিষয়ে কোনো অনুমতিও দিইনি। এ ধরনের কাজ আমি সমর্থন করি না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, "আমি ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। আমি আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। আমার হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য দিন, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন