দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কালে নারীদের আর্থিক ভাবে সচ্ছল করতেই চালু করা হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড...প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।



বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কালে  নারীদের আর্থিক ভাবে সচ্ছল করতেই চালু করা   হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড...প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কালে নারীদের আর্থিক ভাবে সচ্ছল করতেই চালু করা হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড...প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে টিকাদান ক্যাম্পেইন ও খাল খনন কর্মসূচী উদ্বোধন।। জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন।।


দেশের গ্রামীন হতদরিদ্র নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।

(২০শে এপ্রিল-২৬) সোমবার দুপুরে বগুড়া গাবতলীর নশিপুরের বাগবাড়ীতে শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা। সেই জন্যই আমারা ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, ফ্যামিলি কার্ড বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ ছিল। আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, এমনকি বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের মানুষ যদি সচ্ছল থাকে, সুখে থাকে তাহলেই সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। 

তিনি আরো বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকার নারী প্রধান পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী 'ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে।

সেই পিছনে পড়া নারী সমাজকে আমরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষমতায়িত করতে চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই। সেই লক্ষ্য কে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে কীভাবে নারীর ক্ষমতায়ন আমরা করব, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে তুলব। সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকার বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে, সেই চার কোটি পরিবারের যারা নারী প্রধান তাদের কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন কালে আপনারা এই ভাল উদ্যোগের শুরুতেই সবাই তিন বার বিসমিল্লাহ বলেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল। এ উদ্যোগকে তিনি তাঁর সরকার ও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে উল্লেখ করেন।

দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চাই এবং তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ও নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করায় কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।

তিনি আরো বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সময়ে দেশে লক্ষ, কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। দুর্নীতি হয়েছে। অর্থ সম্পদ চুরি হয়েছে। আমরা দুর্নীতি কে রোধ করতে চাই। কারণ এটা জনগনের টাকা। সেই টাকা দিয়ে আমরা ফ্যামিলি কার্ড করবো। কৃষি কার্ড করবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য 'কৃষক কার্ড” চালু করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ কে সরকারি করনের ঘোষণা দেন।

বক্তব্যের শেষে তিনি তাঁর নির্বাচনি স্লোগান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনি জনসভায় একটি কথা আমার বক্তব্যের শেষে আমি তুলে ধরতাম। সেই কথাটি ছোট্ট একটি স্লোগানের মাধ্যমে আপনাদের সকলের কমবেশি জানা আছে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্লোগানটি পৌঁছে গেছে। আজকে সেই স্লোগানটি দিয়েই আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই, সেই স্লোগানটি ছিলঃ করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১০জন নারী পরিবার প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। 

এসময় তার পাশে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। 

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মোট ৯শত ৩৮জন নারী প্রধান কে এই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্ত ভারতী রানী, শ্যামলী আক্তার, বাবলি বেগম খুশিতে আবেগাপ্লুত হয়ে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। জীবনে স্বপ্নেও ভাবিনি এই কার্ড হাতে পাবো। এই টাকা দিয়ে আমার পরিবারের অনেক সাহায্য হবে।আমরা সুখে থাকতে পারবো।


এর আগে দুপুর ২টা সময়ে বাগবাড়ীতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বাগবাড়ীতে ও এর আশপাশের এলাকায় ভোর থেকেই আনন্দ উৎসব আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড সুবিধাভোগী নারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল হওয়ার আগেই শতশত নারী ও নশিপুর ইউনিয়নবাসী উদ্বোধনী এলাকার আশপাশে জড়ো হতে শুরু করেন। রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। রাস্তার দুই পাশ্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন...শুভেচ্ছা...স্বাগতম শ্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বাগবাড়ি এলাকা।

কেউ কেউ দূর থেকে হাত নাড়িয়ে নিজ জন্মভূমি বাগবাড়ীর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে অভিনন্দন ও স্বাগত জানান।

এছাড়াও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ও চৌকিরদহ খাল খনন কর্মসূচী উদ্বোধন ও জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।


শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন এমপি।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

এরপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীঃ "ফ্যামিলি কার্ডঃ স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন পুতুল এমপি, বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া-৬ আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৭ আসনের এমপি মোরশেদ মিল্টন, নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ রাজ্জাকুল আমিন তালুকদার রোকন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, এমপি মোশারফ হোসেন, এমপি আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, এমপি মুহিত তালুকদার, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা-উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কালে নারীদের আর্থিক ভাবে সচ্ছল করতেই চালু করা হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড...প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে টিকাদান ক্যাম্পেইন ও খাল খনন কর্মসূচী উদ্বোধন।। জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন।।


দেশের গ্রামীন হতদরিদ্র নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।

(২০শে এপ্রিল-২৬) সোমবার দুপুরে বগুড়া গাবতলীর নশিপুরের বাগবাড়ীতে শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা। সেই জন্যই আমারা ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, ফ্যামিলি কার্ড বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ ছিল। আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, এমনকি বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের মানুষ যদি সচ্ছল থাকে, সুখে থাকে তাহলেই সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। 

তিনি আরো বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকার নারী প্রধান পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী 'ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে।

সেই পিছনে পড়া নারী সমাজকে আমরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষমতায়িত করতে চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের সচ্ছল করতে চাই। সেই লক্ষ্য কে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে কীভাবে নারীর ক্ষমতায়ন আমরা করব, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে তুলব। সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সরকার বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে, সেই চার কোটি পরিবারের যারা নারী প্রধান তাদের কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকলের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন কালে আপনারা এই ভাল উদ্যোগের শুরুতেই সবাই তিন বার বিসমিল্লাহ বলেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল। এ উদ্যোগকে তিনি তাঁর সরকার ও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে উল্লেখ করেন।

দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করার অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চাই এবং তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষ ও নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করায় কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।

তিনি আরো বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সময়ে দেশে লক্ষ, কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। দুর্নীতি হয়েছে। অর্থ সম্পদ চুরি হয়েছে। আমরা দুর্নীতি কে রোধ করতে চাই। কারণ এটা জনগনের টাকা। সেই টাকা দিয়ে আমরা ফ্যামিলি কার্ড করবো। কৃষি কার্ড করবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য 'কৃষক কার্ড” চালু করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ কে সরকারি করনের ঘোষণা দেন।

বক্তব্যের শেষে তিনি তাঁর নির্বাচনি স্লোগান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রত্যেকটি নির্বাচনি জনসভায় একটি কথা আমার বক্তব্যের শেষে আমি তুলে ধরতাম। সেই কথাটি ছোট্ট একটি স্লোগানের মাধ্যমে আপনাদের সকলের কমবেশি জানা আছে, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্লোগানটি পৌঁছে গেছে। আজকে সেই স্লোগানটি দিয়েই আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই, সেই স্লোগানটি ছিলঃ করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১০জন নারী পরিবার প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। 

এসময় তার পাশে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। 

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মোট ৯শত ৩৮জন নারী প্রধান কে এই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্ত ভারতী রানী, শ্যামলী আক্তার, বাবলি বেগম খুশিতে আবেগাপ্লুত হয়ে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। জীবনে স্বপ্নেও ভাবিনি এই কার্ড হাতে পাবো। এই টাকা দিয়ে আমার পরিবারের অনেক সাহায্য হবে।আমরা সুখে থাকতে পারবো।


এর আগে দুপুর ২টা সময়ে বাগবাড়ীতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে বাগবাড়ীতে ও এর আশপাশের এলাকায় ভোর থেকেই আনন্দ উৎসব আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড সুবিধাভোগী নারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল হওয়ার আগেই শতশত নারী ও নশিপুর ইউনিয়নবাসী উদ্বোধনী এলাকার আশপাশে জড়ো হতে শুরু করেন। রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। রাস্তার দুই পাশ্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন...শুভেচ্ছা...স্বাগতম শ্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বাগবাড়ি এলাকা।

কেউ কেউ দূর থেকে হাত নাড়িয়ে নিজ জন্মভূমি বাগবাড়ীর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে অভিনন্দন ও স্বাগত জানান।

এছাড়াও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ও চৌকিরদহ খাল খনন কর্মসূচী উদ্বোধন ও জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।


শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন এমপি।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

এরপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীঃ "ফ্যামিলি কার্ডঃ স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন পুতুল এমপি, বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া-৬ আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৭ আসনের এমপি মোরশেদ মিল্টন, নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ রাজ্জাকুল আমিন তালুকদার রোকন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, এমপি মোশারফ হোসেন, এমপি আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, এমপি মুহিত তালুকদার, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা-উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

প্রধান উপদেষ্টা: খান সেলিম রহমান - প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা
উপদেষ্টা: আওরঙ্গজেব কামাল- সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব উপদেষ্টা : মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব উপদেষ্টা: শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: মোঃ জাকির হোসেন সাধারণ সম্পাদক হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: মোঃ মিজানুর রহমান মিজান সাংগঠনিক সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব
নির্বাহী সম্পাদক: এম.এ আরিফ চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত” পত্রিকা ও স্থায়ী সদস্য: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব প্রধান সম্পাদক: ডেইলি ঢাকা মেইল
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ লুৎফর রহমান লিটন স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত প্রত্রিকা কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
Email dailyalokitosolanga@gmail.com মোবাইল নম্বর ০১৭১১৪৫৪০১৮ কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা