মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির আসন ভিত্তিক মনোনয়ন প্রকাশের পর থেকে জেলা বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে গাংনী শহরে দলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুঃসময়ে খুলনা বিভাগের দুই সাংসদ প্রার্থীর মধ্যে একজন হিসেবে মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আমজাদ হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তার মনোনয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং তারা দলীয় সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
মনোনয়ন ব্রিফিংয়ের পরপরই প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে গাংনী বাজারে জেলা সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা একত্রিত হতে থাকে। একপর্যায়ে আমজাদ হোসেনের কার্যালয় ঘিরে ইট-পাথর ছোড়া হয়। এতে ৮–১০টি মোটরসাইকেল, চেয়ার, ব্যানার ও জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং কয়েকজন আহতের খবর পাওয়া গিয়েছে।
এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করে বাস স্ট্যান্ডে আসেন।
পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে আমজাদ সমর্থকেরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করে। একপর্যায়ে অতিউৎসাহী জনতা জেলা সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের কার্যালয়ের চেয়ার ও টেবিল পুড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫
মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির আসন ভিত্তিক মনোনয়ন প্রকাশের পর থেকে জেলা বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। গত সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে গাংনী শহরে দলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুঃসময়ে খুলনা বিভাগের দুই সাংসদ প্রার্থীর মধ্যে একজন হিসেবে মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আমজাদ হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তার মনোনয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং তারা দলীয় সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
মনোনয়ন ব্রিফিংয়ের পরপরই প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে গাংনী বাজারে জেলা সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা একত্রিত হতে থাকে। একপর্যায়ে আমজাদ হোসেনের কার্যালয় ঘিরে ইট-পাথর ছোড়া হয়। এতে ৮–১০টি মোটরসাইকেল, চেয়ার, ব্যানার ও জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং কয়েকজন আহতের খবর পাওয়া গিয়েছে।
এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করে বাস স্ট্যান্ডে আসেন।
পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে আমজাদ সমর্থকেরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করে। একপর্যায়ে অতিউৎসাহী জনতা জেলা সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের কার্যালয়ের চেয়ার ও টেবিল পুড়িয়ে দেয়। এই ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন