দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

দুম্বার মাংস বিতরণে গরমিল: মনিরামপুরে ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না



দুম্বার মাংস বিতরণে গরমিল: মনিরামপুরে ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না
দুম্বার মাংস বিতরণে গরমিল: মনিরামপুরে ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় রাজকীয় সৌদি আরব সরকার কর্তৃক প্রেরিত কোরবানির মাংস বিতরণে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। এ বছর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে মোট ১৩,৬৮০ কার্টুন, অর্থাৎ ৩,৭২,০০০ কেজি (৩৭২ মেট্রিক টন) কোরবানির মাংস পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দের মাধ্যমে এই মাংস দুঃস্থদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।


এর মধ্যে যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৭ কার্টুন, প্রতি কার্টুনে ১০ প্যাকেট করে। সেই হিসাবে মোট ৪৭০ প্যাকেট মাংস পাওয়ার কথা।

কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর থেকে পাওয়া বিতরণ তালিকায় দেখা গেছে, ৫০টি মাদরাসায় মোট ৩৫০ প্যাকেট মাংস বিতরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ১২০ প্যাকেট, সমান ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না।


উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক তালিকার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে,মশ্মিনগর ইউনিয়নে ৮টি মাদরাসায় ৪৩ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না।


চালুয়াহাটি ইউনিয়নে ৬টি মাদরাসায় ৪৪ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম শোভন।


মনিরামপুর সদর ইউনিয়নে ৫টি মাদরাসায় ২৪ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক।



তালিকা অনুযায়ী রোহিতা, ভোজগাতী, কুলটিয়া, নেহালপুর ও মনোহরপুর ইউনিয়নে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম শোভন বলেন, “কোন প্যাকেটেই ১০ প্যাকেট করে পাওয়া যায় নি।প্রতিটা প্যাকেটেই ৭/৮ টা করে পাওয়া গিয়েছে। যতগুলো পাওয়া গিয়েছে সেগুলোই মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।১৭ ইউনিয়ন দেওয়ার কথা কাকে কে বলেছে এটা জানা নেই আমার।।”



তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন— সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিটি কার্টুনে ১০ প্যাকেট থাকার নিয়ম থাকলেও মনিরামপুরে তা কম পাওয়া গেল কীভাবে?সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কার্টুনে কম প্যাকেট আসা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাহলে কাকে বিশ্বাস করা যায়— সৌদি সরকারের নির্ধারিত হিসাবকে, না উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্যকে?”


এ বিষয়ে মাংস পাওয়া মাদরাসাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তালিকায় মোবাইল নম্বর না থাকায় একদিনের মধ্যে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


দুম্বার মাংস বিতরণে গরমিল: মনিরামপুরে ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় রাজকীয় সৌদি আরব সরকার কর্তৃক প্রেরিত কোরবানির মাংস বিতরণে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। এ বছর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে মোট ১৩,৬৮০ কার্টুন, অর্থাৎ ৩,৭২,০০০ কেজি (৩৭২ মেট্রিক টন) কোরবানির মাংস পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দের মাধ্যমে এই মাংস দুঃস্থদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।


এর মধ্যে যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৭ কার্টুন, প্রতি কার্টুনে ১০ প্যাকেট করে। সেই হিসাবে মোট ৪৭০ প্যাকেট মাংস পাওয়ার কথা।

কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর থেকে পাওয়া বিতরণ তালিকায় দেখা গেছে, ৫০টি মাদরাসায় মোট ৩৫০ প্যাকেট মাংস বিতরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ১২০ প্যাকেট, সমান ৩ কার্টুনের হিসাব মিলছে না।


উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক তালিকার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে,মশ্মিনগর ইউনিয়নে ৮টি মাদরাসায় ৪৩ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না।


চালুয়াহাটি ইউনিয়নে ৬টি মাদরাসায় ৪৪ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম শোভন।


মনিরামপুর সদর ইউনিয়নে ৫টি মাদরাসায় ২৪ প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক।



তালিকা অনুযায়ী রোহিতা, ভোজগাতী, কুলটিয়া, নেহালপুর ও মনোহরপুর ইউনিয়নে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম শোভন বলেন, “কোন প্যাকেটেই ১০ প্যাকেট করে পাওয়া যায় নি।প্রতিটা প্যাকেটেই ৭/৮ টা করে পাওয়া গিয়েছে। যতগুলো পাওয়া গিয়েছে সেগুলোই মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।১৭ ইউনিয়ন দেওয়ার কথা কাকে কে বলেছে এটা জানা নেই আমার।।”



তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন— সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিটি কার্টুনে ১০ প্যাকেট থাকার নিয়ম থাকলেও মনিরামপুরে তা কম পাওয়া গেল কীভাবে?সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কার্টুনে কম প্যাকেট আসা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাহলে কাকে বিশ্বাস করা যায়— সৌদি সরকারের নির্ধারিত হিসাবকে, না উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্যকে?”


এ বিষয়ে মাংস পাওয়া মাদরাসাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তালিকায় মোবাইল নম্বর না থাকায় একদিনের মধ্যে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা

প্রধান উপদেষ্টা: খান সেলিম রহমান - প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, সম্পাদক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা
উপদেষ্টা: আওরঙ্গজেব কামাল- সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব উপদেষ্টা : মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব উপদেষ্টা: শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: এম দুলাল উদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: মোঃ জাকির হোসেন সাধারণ সম্পাদক হাটিকুমরুল প্রেসক্লাব
উপদেষ্টা: মোঃ মিজানুর রহমান মিজান সাংগঠনিক সম্পাদক সলঙ্গা প্রেসক্লাব
নির্বাহী সম্পাদক: এম.এ আরিফ চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত” পত্রিকা ও স্থায়ী সদস্য: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব প্রধান সম্পাদক: ডেইলি ঢাকা মেইল
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মোঃ লুৎফর রহমান লিটন স্টাফ রিপোর্টার: "জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত প্রত্রিকা কার্যনির্বাহী সদস্য বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব
Email dailyalokitosolanga@gmail.com মোবাইল নম্বর ০১৭১১৪৫৪০১৮ কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক আলোকিত সলঙ্গা