ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার আগ নুকালী গ্রামে আনছার আলীর বাড়ীতে। সৈয়দা সোনিয়া আকতার গর্ভের বাচ্চা ও স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে কাবিননামা হাতে নিয়ে টানা ৪ দিন অনশন করছেন।গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) থেকে এ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।অনশনকারী গৃহবধূ সোনিয়া জানান, তার বাড়ী বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার মুন্ডুপাশা গ্রামে। প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে দেড় বছরের শিশু পুত্র নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। সেখানে সাভার হেমায়েতপুরের রাফি আর্ট গ্যালারির গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় দুই বছর আগে পরিচয় হয় শাহজাদপুরের আগ নুকালী গ্রামের কেসমত মাষ্টারের পুত্র আনছার আলীর সাথে।প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। সোনিয়া অন্তঃসত্ত্বা হলে আনছার আলীকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ১ জুলাই সাভার নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ৪.৫ লাখ টাকায় কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন হয়।কিন্তু বিয়ের চার মাস না যেতেই আনছার আলী বাসা থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে ফোনে জানান যে তিনি মালয়েশিয়া গেছেন এবং যাবার আগে সোনিয়াকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন সোনিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি ও স্ত্রীর মর্যাদা দাবিতে আগ নুকালী গ্রামে আনছারের পৈতৃক বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। আনছারের প্রথম স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস শিউলির পরিবারের সদস্যরাও সংবাদ শুনে সেখানে উপস্থিত হন।শিউলির বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, ২০০৩ সালে আনছার আলীর সাথে তার বোন শিউলির বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন সংসার করার পর জাপান যাওয়ার কথা বলে দফায় দফায় ৮লাখ টাকা নিয়ে সাউথ আফ্রিকায় চলে যায়। এরপর আনছারের পরিবারের লোকজন শিউলির উপর নির্যাতন করতে থাকে। বছর কয়েক আগে আনছারের বড় ভাই স্কুল শিক্ষক আফছার আলী এবং পিতা স্কুল শিক্ষক কিসমত মিলে গভীর রাতে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পরে শিউলি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং একটি মামলা করে। সেই মামলা এখনো চলমান রয়েছে।বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে আনছারের পিতা কিসমত জানান, আনসারকে তিনি সন্তান হিসেবে মানেন না। আনছারের জন্য তার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও বিয়ে করে বিদেশে চলে যায়। পরে কবে ফেরৎ এসে নতুন করে এই মেয়েকে বিয়ে করেছে তা তিনি জানেন না।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল বারী জানান, আনছারের স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মেয়েটি গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে অনশন করছে। দুই পরিবারের অভিভাবক নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৫
ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার আগ নুকালী গ্রামে আনছার আলীর বাড়ীতে। সৈয়দা সোনিয়া আকতার গর্ভের বাচ্চা ও স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে কাবিননামা হাতে নিয়ে টানা ৪ দিন অনশন করছেন।গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) থেকে এ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।অনশনকারী গৃহবধূ সোনিয়া জানান, তার বাড়ী বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার মুন্ডুপাশা গ্রামে। প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে দেড় বছরের শিশু পুত্র নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। সেখানে সাভার হেমায়েতপুরের রাফি আর্ট গ্যালারির গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় দুই বছর আগে পরিচয় হয় শাহজাদপুরের আগ নুকালী গ্রামের কেসমত মাষ্টারের পুত্র আনছার আলীর সাথে।প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা একটি বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। সোনিয়া অন্তঃসত্ত্বা হলে আনছার আলীকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ১ জুলাই সাভার নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ৪.৫ লাখ টাকায় কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন হয়।কিন্তু বিয়ের চার মাস না যেতেই আনছার আলী বাসা থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে ফোনে জানান যে তিনি মালয়েশিয়া গেছেন এবং যাবার আগে সোনিয়াকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন সোনিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি ও স্ত্রীর মর্যাদা দাবিতে আগ নুকালী গ্রামে আনছারের পৈতৃক বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। আনছারের প্রথম স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস শিউলির পরিবারের সদস্যরাও সংবাদ শুনে সেখানে উপস্থিত হন।শিউলির বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, ২০০৩ সালে আনছার আলীর সাথে তার বোন শিউলির বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন সংসার করার পর জাপান যাওয়ার কথা বলে দফায় দফায় ৮লাখ টাকা নিয়ে সাউথ আফ্রিকায় চলে যায়। এরপর আনছারের পরিবারের লোকজন শিউলির উপর নির্যাতন করতে থাকে। বছর কয়েক আগে আনছারের বড় ভাই স্কুল শিক্ষক আফছার আলী এবং পিতা স্কুল শিক্ষক কিসমত মিলে গভীর রাতে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পরে শিউলি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং একটি মামলা করে। সেই মামলা এখনো চলমান রয়েছে।বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে আনছারের পিতা কিসমত জানান, আনসারকে তিনি সন্তান হিসেবে মানেন না। আনছারের জন্য তার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও বিয়ে করে বিদেশে চলে যায়। পরে কবে ফেরৎ এসে নতুন করে এই মেয়েকে বিয়ে করেছে তা তিনি জানেন না।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল বারী জানান, আনছারের স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মেয়েটি গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে অনশন করছে। দুই পরিবারের অভিভাবক নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন