রাজশাহীর বাঘায় পূর্ববিরোধের জেরে গড়গড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ পারভেজ আহমেদকে মারধর করে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দাদপুর গড়গড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার খায়েরহাট বাজার সংলগ্ন ছবির বাড়ির মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গড়গড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ আহমেদ, দাদপুর গড়গড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হকসহ কয়েকজন চারঘাটে যান। এ সময় রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক নিজেকে বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তখন পারভেজ আহমেদ ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে কেক কাটার বিষয়টি তুলে প্রশ্ন করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
বুধবার সকালে পারভেজ আহমেদ মোটরসাইকেলযোগে পাট কেনার জন্য জোতরাঘব বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে খায়েরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাঁকে অনুসরণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পারভেজের অভিযোগ, ছবির বাড়ির মোড় এলাকায় পৌঁছালে প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ নাজিম মন্ডল, মোঃ লতিফ মন্ডল ও মোঃ পলাশ মন্ডল তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর লুঙ্গির কোমরে রাখা পাট কেনার ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী পারভেজ আহমেদ বলেন, “মঙ্গলবার রাতে চারঘাটে গিয়ে একটি বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হকের সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বুধবার সকালে পাট কেনার জন্য জোতরাঘব বাজারে যাওয়ার পথে খায়েরহাট এলাকায় তাঁরা আমার পথরোধ করেন। পরে বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা পাট কেনার ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক জানান, এ বিষয়ে সকালে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
রাজশাহীর বাঘায় পূর্ববিরোধের জেরে গড়গড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ পারভেজ আহমেদকে মারধর করে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দাদপুর গড়গড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার খায়েরহাট বাজার সংলগ্ন ছবির বাড়ির মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গড়গড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ আহমেদ, দাদপুর গড়গড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হকসহ কয়েকজন চারঘাটে যান। এ সময় রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক নিজেকে বিএনপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তখন পারভেজ আহমেদ ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে কেক কাটার বিষয়টি তুলে প্রশ্ন করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
বুধবার সকালে পারভেজ আহমেদ মোটরসাইকেলযোগে পাট কেনার জন্য জোতরাঘব বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে খায়েরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাঁকে অনুসরণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পারভেজের অভিযোগ, ছবির বাড়ির মোড় এলাকায় পৌঁছালে প্রধান শিক্ষক মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ নাজিম মন্ডল, মোঃ লতিফ মন্ডল ও মোঃ পলাশ মন্ডল তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তাঁর লুঙ্গির কোমরে রাখা পাট কেনার ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী পারভেজ আহমেদ বলেন, “মঙ্গলবার রাতে চারঘাটে গিয়ে একটি বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হকের সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বুধবার সকালে পাট কেনার জন্য জোতরাঘব বাজারে যাওয়ার পথে খায়েরহাট এলাকায় তাঁরা আমার পথরোধ করেন। পরে বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা পাট কেনার ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হক জানান, এ বিষয়ে সকালে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন