খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খুলনায় আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে খুলনায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে হবে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রমাণ করতে হবে, তারেক রহমানের ঘাঁটি খুলনার মাটি। খুলনার মানুষ বিএনপিকে ভালোবাসে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।
তাই তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে এবং জনসমাগমের মাধ্যমে এই আয়োজনকে ঐতিহাসিক করে রাখতে হবে। এই দেশ একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই এই দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিএনপি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। তাঁদের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে রাজনীতি করতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়াসহ এই অঞ্চলের কোনো বিলে দখলদারত্ব চলতে দেওয়া হবে না। গুপিয়ার বিল জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জনগণের সম্পদ দখল করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করবে, তা হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির জেলা থেকে উপজেলা এবং ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলের মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ, পদ-পদবি কিংবা নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা যাবে না। দলের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ বিএনপিই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে। তাই দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই একটি রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনো আওয়ামীলীগের মতো রাজনীতি করবে না। বিএনপি রাজনীতি করে জনগণের জন্য, জনগণের কল্যাণে। আমাদের সকলকে জনগণের পাশে থাকতে হবে, তাদের সুখ দুঃখের সঙ্গী হতে হবে এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। রাজনীতির মূল লক্ষ্য হতে হবে জনগণের সেবা করা। জনগণের আস্থা নিয়েই বিএনপি ক্ষমতা অর্জন করেছে। তাই আমাদের মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে এবং এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি ১ লা নভেম্বর (রবিবার) দুপুরে আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের জাবুসা এলাকায় রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান ও সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকের সঞ্চালনায় রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু, তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঃ রকিব মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য আনিচুজ্জামান আনিস, মোল্যা এনামুল কবীর, আরিফুর রহমান, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, জেলা তাঁতিদলের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম তালুকদার, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ, জেলা তাঁতিদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম লোটাস, জেলা জাসাসের সভাপতি এমডি আজাদ আমিন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু জাফর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাহানাজ ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম গোলদার, রয়েল আজম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, মহিউদ্দিন শেখ, জাকির হোসেন জমাদ্দার, শেখ আবু সাঈদ, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন ইজারাদার, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, শফিকুল ইসলাম, বাদশা জমাদ্দার, সৈয়দ নিয়ামত আলী, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পাইক, মহিতোষ ভট্টাচার্য, শিহাব সরদার, ফিরোজ মাহমুদ, দুরুল মোল্যা, মনিরুজ্জামান ফকির, সেলিম রেজা, সাবেক ছাত্রনেতা ফরহাদ হোসেন, মাঈনুল হাসান, আজিজুর রহমান, মাসুদ খান, খান আলিম হাসান, জাহিদুল ইসলাম রবি, মোঃ রয়েল, খান ওলিয়ার রহমান, শিহাবুল ইসলাম, মুক্তাদির বিল্লাহ, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, ইসরাইল বাবু, শারমিন আক্তার আঁখি, ছাত্রদল নেতা ইমতিয়াজ আলী সুজন, পূর্ব রূপসা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী জাকারিয়া, সদস্য সচিব এসএম আবু সাঈদ, সাজ্জাদ হোসেন, মেহেদী হাসান, ওসমান গনী, রাজু দাস, নাঈম আহম্মেদ, শামীম মোল্যা, জান্নাতুন নাঈম প্রমুখ।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খুলনায় আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে খুলনায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে হবে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রমাণ করতে হবে, তারেক রহমানের ঘাঁটি খুলনার মাটি। খুলনার মানুষ বিএনপিকে ভালোবাসে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।
তাই তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে এবং জনসমাগমের মাধ্যমে এই আয়োজনকে ঐতিহাসিক করে রাখতে হবে। এই দেশ একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই এই দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিএনপি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। তাঁদের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে রাজনীতি করতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়াসহ এই অঞ্চলের কোনো বিলে দখলদারত্ব চলতে দেওয়া হবে না। গুপিয়ার বিল জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জনগণের সম্পদ দখল করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করবে, তা হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির জেলা থেকে উপজেলা এবং ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলের মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ, পদ-পদবি কিংবা নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা যাবে না। দলের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ বিএনপিই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে। তাই দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীকে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই একটি রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনো আওয়ামীলীগের মতো রাজনীতি করবে না। বিএনপি রাজনীতি করে জনগণের জন্য, জনগণের কল্যাণে। আমাদের সকলকে জনগণের পাশে থাকতে হবে, তাদের সুখ দুঃখের সঙ্গী হতে হবে এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। রাজনীতির মূল লক্ষ্য হতে হবে জনগণের সেবা করা। জনগণের আস্থা নিয়েই বিএনপি ক্ষমতা অর্জন করেছে। তাই আমাদের মানুষের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে এবং এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি ১ লা নভেম্বর (রবিবার) দুপুরে আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের জাবুসা এলাকায় রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান ও সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকের সঞ্চালনায় রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু, তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঃ রকিব মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য আনিচুজ্জামান আনিস, মোল্যা এনামুল কবীর, আরিফুর রহমান, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, জেলা তাঁতিদলের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম তালুকদার, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ, জেলা তাঁতিদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম লোটাস, জেলা জাসাসের সভাপতি এমডি আজাদ আমিন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু জাফর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাহানাজ ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম গোলদার, রয়েল আজম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, মহিউদ্দিন শেখ, জাকির হোসেন জমাদ্দার, শেখ আবু সাঈদ, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন ইজারাদার, মিকাইল বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, শফিকুল ইসলাম, বাদশা জমাদ্দার, সৈয়দ নিয়ামত আলী, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পাইক, মহিতোষ ভট্টাচার্য, শিহাব সরদার, ফিরোজ মাহমুদ, দুরুল মোল্যা, মনিরুজ্জামান ফকির, সেলিম রেজা, সাবেক ছাত্রনেতা ফরহাদ হোসেন, মাঈনুল হাসান, আজিজুর রহমান, মাসুদ খান, খান আলিম হাসান, জাহিদুল ইসলাম রবি, মোঃ রয়েল, খান ওলিয়ার রহমান, শিহাবুল ইসলাম, মুক্তাদির বিল্লাহ, শাহজামান প্রিন্স, তরিকুল ইসলাম রিপন, ইসরাইল বাবু, শারমিন আক্তার আঁখি, ছাত্রদল নেতা ইমতিয়াজ আলী সুজন, পূর্ব রূপসা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী জাকারিয়া, সদস্য সচিব এসএম আবু সাঈদ, সাজ্জাদ হোসেন, মেহেদী হাসান, ওসমান গনী, রাজু দাস, নাঈম আহম্মেদ, শামীম মোল্যা, জান্নাতুন নাঈম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন