জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও থামেনি বেঁচে থাকার লড়াই। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া ৯০ বছরের মোনজাহান বেগম ও তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়ে মোমেনা খাতুনের দিন কাটছে চরম কষ্টে। নেই আপনজনের ছায়া, নেই নিরাপদ আশ্রয়। জীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরই এখন তাঁদের একমাত্র ঠিকানা।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের উত্তর পূর্বপাড়া এলাকায় মোমেনা খাতুন তাঁর মাকে নিয়ে বসবাস করেন মামাতো ভাই আশরাফ আলীর বাড়ির পেছনে তৈরি ছোট্ট একটি ঝুপড়ি ঘরে।
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মোনজাহান বেগম নিজেই ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। অন্যদিকে প্রতিবন্ধী মেয়ে মোমেনা খাতুনও নির্ভরশীল মায়ের ওপর। জরাজীর্ণ ঘর, অভাব আর নানা সংকটের মধ্যেই প্রতিদিন তাঁদের জীবন পার হচ্ছে।
শুধু থাকার ঘরই নয়, নেই নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও। বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাঁদের।
ভাঙা কণ্ঠে মোনজাহান বেগম বলেন, “বয়স হয়েছে, শরীর আর চলে না। মেয়েটাও প্রতিবন্ধী। থাকার মতো ভালো ঘর নেই। অনেক কষ্ট করে দিন পার করছি। আল্লাহ ছাড়া আমাদের দেখার কেউ নেই।”
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী হৃদয় আহমেদ বলেন, “মোনজাহান বেগম ও তাঁর মেয়ের অবস্থা খুবই মানবেতর। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন। তাঁদের জন্য একটি নিরাপদ ঘরসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দরকার।”
স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, “এই মা-মেয়েকে আমরা অনেকদিন ধরে এভাবেই কষ্ট করতে দেখছি। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে তাঁদের জীবন কিছুটা সহজ হতে পারে।”
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসাইন শেখ বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। তাঁরা যদি সরকারি সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত হন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জীবনের শেষ সময়ে এসে একটি নিরাপদ ঘর ও একটু স্বাভাবিক জীবনই এখন মোনজাহান বেগম ও তাঁর মেয়ে মোমেনা খাতুনের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও থামেনি বেঁচে থাকার লড়াই। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া ৯০ বছরের মোনজাহান বেগম ও তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়ে মোমেনা খাতুনের দিন কাটছে চরম কষ্টে। নেই আপনজনের ছায়া, নেই নিরাপদ আশ্রয়। জীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরই এখন তাঁদের একমাত্র ঠিকানা।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের উত্তর পূর্বপাড়া এলাকায় মোমেনা খাতুন তাঁর মাকে নিয়ে বসবাস করেন মামাতো ভাই আশরাফ আলীর বাড়ির পেছনে তৈরি ছোট্ট একটি ঝুপড়ি ঘরে।
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মোনজাহান বেগম নিজেই ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। অন্যদিকে প্রতিবন্ধী মেয়ে মোমেনা খাতুনও নির্ভরশীল মায়ের ওপর। জরাজীর্ণ ঘর, অভাব আর নানা সংকটের মধ্যেই প্রতিদিন তাঁদের জীবন পার হচ্ছে।
শুধু থাকার ঘরই নয়, নেই নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও। বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাঁদের।
ভাঙা কণ্ঠে মোনজাহান বেগম বলেন, “বয়স হয়েছে, শরীর আর চলে না। মেয়েটাও প্রতিবন্ধী। থাকার মতো ভালো ঘর নেই। অনেক কষ্ট করে দিন পার করছি। আল্লাহ ছাড়া আমাদের দেখার কেউ নেই।”
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী হৃদয় আহমেদ বলেন, “মোনজাহান বেগম ও তাঁর মেয়ের অবস্থা খুবই মানবেতর। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন। তাঁদের জন্য একটি নিরাপদ ঘরসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দরকার।”
স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, “এই মা-মেয়েকে আমরা অনেকদিন ধরে এভাবেই কষ্ট করতে দেখছি। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে তাঁদের জীবন কিছুটা সহজ হতে পারে।”
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসাইন শেখ বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। তাঁরা যদি সরকারি সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত হন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জীবনের শেষ সময়ে এসে একটি নিরাপদ ঘর ও একটু স্বাভাবিক জীবনই এখন মোনজাহান বেগম ও তাঁর মেয়ে মোমেনা খাতুনের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন