গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশিত মাদকের বিরুদ্ধে Zero Tolerance নীতি বাস্তবায়নে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব) বদ্ধপরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় মাদক, অপহরণ, খুন, ডাকাতি এবং ছিনতাই সহ সমাজে বিরাজমান বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ আন্তরিকতার সহিত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আপনারা জানেন যে, পার্শ্ববর্র্তী দেশের কতিপয় সংঘবদ্ধ চক্র মাদকের এই বড় চালান টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে অবৈধভাবে পার করে এনে স্থানীয় সিন্ডিকেটের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করে। পরবর্তীতে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে। এই মাদক বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে আমাদের যুব সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে নানাবিধ অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ এর দায়িত্বাধীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারী ও প্রতিনিয়তই মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনাসহ সমাজের নানাবিধ অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ১১ই জুন গভীর রাত আনুমানিক ০২.৩০ মিনিটের দিকে র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের কতিপয় কুখ্যাত মাদক কারবারি চক্রের সদস্যরা মাদকের একটি বিশাল চালানসহ গোপনে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন এলাকায় নিয়ে আসছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ভোর আনুমানিক ০৪.৩০ ঘটিকার সময় চৌকস আভিযানিক দলটি সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং খালের দক্ষিণ পাশে মন্ডল পাড়া সাকিনস্থ মোঃ কবির হোসেনের জমিতে ইয়াবা কারবারীদের ইয়াবাসহ দেশে প্রবেশকালে অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করাকালে র্যাব সদস্যগণ আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সাথে জড়িত ০২ জন মিয়ানমারের নাগরিক মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। আরো ৪/৫ জন অজ্ঞাত ইয়াবা কারবারী দৌঁড়ে পালিয়ে যায়, তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আটক মাদক কারবারিদের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার এই বড় চালানটি নিয়ে আসে। এতে সর্বমোট ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা উভয়েই মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মন্ডু থানাধীন ভুসিডং জেলার অধিবাসী ১। মোঃ সাজেদ(৩২), পিতা-মৃত নূর মোহাম্মদ সায়েদ, গ্রাম ঃ হায়েংখালী ও ২। এনামুল হাসান(৩৩), পিতা-মোঃ আব্দুল হামিদ, গ্রাম-দলিয়া পাড়া।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশিত মাদকের বিরুদ্ধে Zero Tolerance নীতি বাস্তবায়নে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব) বদ্ধপরিকর। এরই ধারাবাহিকতায় মাদক, অপহরণ, খুন, ডাকাতি এবং ছিনতাই সহ সমাজে বিরাজমান বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ আন্তরিকতার সহিত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আপনারা জানেন যে, পার্শ্ববর্র্তী দেশের কতিপয় সংঘবদ্ধ চক্র মাদকের এই বড় চালান টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে অবৈধভাবে পার করে এনে স্থানীয় সিন্ডিকেটের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করে। পরবর্তীতে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে। এই মাদক বিভিন্ন মাধ্যম হয়ে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে আমাদের যুব সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে নানাবিধ অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ এর দায়িত্বাধীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা নজরদারী ও প্রতিনিয়তই মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনাসহ সমাজের নানাবিধ অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ১১ই জুন গভীর রাত আনুমানিক ০২.৩০ মিনিটের দিকে র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের কতিপয় কুখ্যাত মাদক কারবারি চক্রের সদস্যরা মাদকের একটি বিশাল চালানসহ গোপনে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন এলাকায় নিয়ে আসছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ভোর আনুমানিক ০৪.৩০ ঘটিকার সময় চৌকস আভিযানিক দলটি সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং খালের দক্ষিণ পাশে মন্ডল পাড়া সাকিনস্থ মোঃ কবির হোসেনের জমিতে ইয়াবা কারবারীদের ইয়াবাসহ দেশে প্রবেশকালে অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করাকালে র্যাব সদস্যগণ আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সাথে জড়িত ০২ জন মিয়ানমারের নাগরিক মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। আরো ৪/৫ জন অজ্ঞাত ইয়াবা কারবারী দৌঁড়ে পালিয়ে যায়, তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আটক মাদক কারবারিদের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার এই বড় চালানটি নিয়ে আসে। এতে সর্বমোট ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা উভয়েই মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মন্ডু থানাধীন ভুসিডং জেলার অধিবাসী ১। মোঃ সাজেদ(৩২), পিতা-মৃত নূর মোহাম্মদ সায়েদ, গ্রাম ঃ হায়েংখালী ও ২। এনামুল হাসান(৩৩), পিতা-মোঃ আব্দুল হামিদ, গ্রাম-দলিয়া পাড়া।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন