ইরানে নতুন করে হামলা চালানো হলে ইউরোপকে আরও বড় মূল্য দিতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরান কোনো রেডলাইন মানবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইউরোপের জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের এক তীর্যক মন্তব্যের জবাবে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের কারণে গত আট মাসে ইউরোপের অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে, যা প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলারের সমান।
তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হয়েছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন।
জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মান চ্যান্সেলরের সমালোচনা করে বলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার সময় তিনি সেই অভিযানকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। অথচ এখন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
ইউরোপের অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ইউরো জ্বালানি ব্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে আরাঘচি বলেন, যারা ইরানের জনগণের ক্ষতি করার সাহস দেখাবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী যে ‘ভূমিকম্পসম আঘাত’ হানতে সক্ষম, তার তুলনায় এই অর্থ কিছুই নয়। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সব সীমারেখা এখন অতীত।’
ইউরোপের জ্বালানি ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের সমালোচনা করেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়িও। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, যখন আপনারা যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করেছিলেন, তখন কি ভেবেছিলেন না যে এর পরিণতি আপনাদেরও ভোগ করতে হবে?