সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসায় এবারের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে মিশ্র চিত্র।কিছু প্রতিষ্ঠান সন্তোষজনক ফলাফল করলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি।আলিম পরীক্ষায় মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সলঙ্গা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা। অন্যদিকে,কলেজগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে দাদপুর জি.আর ডিগ্রি কলেজ।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে,সলঙ্গা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা থেকে ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩ জন পাস করেছেন।জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। পাসের হার ৫৫ শতাংশ।ফলাফলে শীর্ষস্থান অর্জনে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কে.এম আব্দুল মজিদ বলেন,আমাদের প্রত্যাশা ছিল ফলাফল আরও ভালো হবে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ভালো ফলাফল ধরে রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব। এ জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
অন্যদিকে,আমশড়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেননি।আঙ্গারু পাঁচপীর ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় ৯জনের মধ্যে ৪ জন,মুরাদপুর ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় ৩ জন এবং গোলকপুর সিদ্দিকিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় ১জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
কলেজ পর্যায়ে দাদপুর জি.আর ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৪ জন পাস করেছেন।পাসের হার প্রায় ৩২.৭৩ শতাংশ।সলঙ্গা অনার্স ডিগ্রি কলেজ থেকে ৩৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।এ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২জন।পাসের হার প্রায় ২১.৬৪ শতাংশ।
এ ছাড়া ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ জন পাশ করেছেন।পাসের হার প্রায় ২৩.২৭ শতাংশ।সলঙ্গা মহিলা কলেজ থেকে ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছেন ৬ জন। পাশের হার ১৬.৬৭ শতাংশ।
সামগ্রিক ফলাফলে সলঙ্গা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা ও দাদপুর জি.আর ডিগ্রি কলেজ তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিম্ন পাশের হার শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।