বৃহস্পতিবার (২৯/১০/২০২৬ ইং) সন্ধ্যার পর গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানাধীন ৪২ নং ওয়ার্ডের বানিয়াবাড়ী এলাকায় ভাদুন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক চরণ মাস্টারের উদ্যোগে গুরুদেব সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। উক্ত অনুষ্ঠানে গুরুদেব হিসেবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়
সমরসিং এলাকার বাবু রবীন্দ্র চক্রবর্তী ও তার সহধর্মিনীকে।
সনাতন বা হিন্দু ধর্মে ‘গুরুদেব’ বা ‘গুরু’ হলেন আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক ও পরম আলোর প্রতীক
হিন্দু ঐতিহ্য অনুযায়ী, ভগবান যদি কারও ওপর রুষ্ট হন, তবে গুরুদেব তাকে রক্ষা করতে পারেন; কিন্তু গুরুদেব যদি ত্যাগ করেন, তবে স্বয়ং ভগবানও তাকে আশ্রয় দেন না।
মানব জন্ম লাভের পর পিতা-মাতাকে জাগতিক জীবনের প্রথম গুরু হিসেবে গণ্য করা হলেও, আধ্যাত্মিক মুক্তির জন্য দীক্ষাদাতা বা আধ্যাত্মিক গুরুর প্রয়োজনীয়তা অনন্য।
গুরুর কৃপা বা দীক্ষা ছাড়া জন্ম ও মৃত্যুর এই মায়াময় চক্র বা সংসার-সাগর পার হওয়া অসম্ভব।
শাস্ত্রীয় নিয়মানুসারে, গুরুদেবের প্রতি শিষ্যের আচরণ সম্পূর্ণ বিনম্র ও ভক্তিপূর্ণ হতে হবে।গুরুদেবকে দেখামাত্র প্রণাম করা এবং তার আদেশকে ভগবানের আদেশ হিসেবে শিরোধার্য করা শিষ্যের পরম ধর্ম।গুরুর আসন, পাদুকা কিংবা তার ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রীর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা উচিত ।