মরমি সাধনা, গুরু-সান্নিধ্য আর মানবতার বাণীতে মুখরিত ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়ি। সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও, বিদায়ের মুহূর্তে সাধু-ভক্তদের মনে ছিল আবারও ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা।
তবে উৎসবের শেষলগ্নে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। ঐতিহ্য আর আধ্যাত্মিকতার এই মিলনমেলায় আনন্দের পাশাপাশি এখন নিরাপত্তা ঘিরেই বাড়তি সতর্কতা।
গুরু-সান্নিধ্য আর মরমি সাধনায় একাত্ম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়াবাড়িতে দেশ-বিদেশের হাজারো সাধু-গুরু ও লালন অনুসারী। অধিবাস, বাল্যসেবা ও পূর্ণ সেবার মধ্যদিয়ে শেষ হলো এবারের সাধুসঙ্গের আনুষ্ঠানিকতা।
পূর্ণ সেবা শেষে বিদায় বেলায় ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আখড়াবাড়ি ছাড়েন সাধুরা। লালনের মানবতাবাদী দর্শন, আত্মশুদ্ধি ও মরমি সাধনার চর্চায় একত্রিত হওয়া সাধুরা রেখে যাচ্ছেন আবারও ফিরে আসার প্রত্যাশা।
এদিকে, লালনের মাজারের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বোমা। সোমবার সকালে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি পরীক্ষা করে নিরাপদ করেন।
এ ঘটনায় আখড়াবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আখড়াবাড়ির ভেতরে অবস্থানরত সাধু-ফকিরদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর রোববার রাত থেকেই লালন আখড়াবাড়ি প্রাঙ্গণে সাধু, ভক্ত ও সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সীমিত করা হয়।