আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১০০ টাকার জাল নোটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পিপিএম।
এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ভাদাইল এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ফুল্লশ্রী গ্রামের মো. কামাল সরদার (৪৮) এবং গৌরনদী থানার চরসি গ্রামের মানিক সরকার (১৯)। তাঁরা গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানা এলাকার ভবানীপুরে হযরত আলীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ছাইয়েদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পবনারটেক এলাকায় দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর কার্যালয়ের সামনে অভিযান চালান। এ সময় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কামাল সরদারের কাছ থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ২০০টি নোট, ৫০০ টাকা মূল্যমানের ৬১১টি নোট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত নোট শক্ত করার আঠা এবং বরিশাল-ল-১১-০৭৫২ নম্বর সংবলিত একটি পুরোনো কালো রঙের হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মানিক সরকারের হেফাজত থেকে ১০০ টাকা মূল্যমানের ৭২৩টি জাল নোট এবং ৫০ টাকা মূল্যমানের ২৬টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। দুইজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা জাল নোটের মোট মূল্য ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১০০ টাকা।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জাল টাকা দেশের অর্থনীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি এবং সাধারণ মানুষকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জাল নোট তৈরি, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।