জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে ৬৫৬ পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ উম্মে হাবিবা নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাঁর স্বামী শাহীন আলম (৩৮) পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম উচনা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ২০ বিজিবি।
বিজিবি জানায়, অভিযানে শাহীন আলমের কক্ষ থেকে সীমান্তপথে আনা ৬৫৬ পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ৩৩ হাজার ৭৯৭ টাকা, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও লোহার তৈরি একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদক ও অন্যান্য আলামতের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৭ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবির দাবি, পলাতক শাহীন আলম দীর্ঘদিন ধরে কথিত সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মাদক চোরাচালান চক্র নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় এবং বাংলাদেশের স্পর্শকাতর ও গোপনীয় তথ্য পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে।
জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, যৌথ অভিযানের সময় শাহীন আলম পালিয়ে যান। এ সময় তাঁর স্ত্রী উম্মে হাবিবাকে ট্যাপেন্টাডল, নগদ টাকা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, পলাতক শাহীন আলমকে মামলায় পলাতক আসামি এবং আটক উম্মে হাবিবাকে আসামি করে উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডল, নগদ অর্থ ও অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বিজিবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, শাহীন আলম হাকিমপুর উপজেলা এশিয়ান টেলিভিশনের সাবেক প্রতিনিধি এবং হাকিমপুর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।
নোট: শেষের অংশে আপনার মূল লেখায় এক জায়গায় “শাহীন আলম” এবং শেষে “শাহিন” লেখা হয়েছে। প্রকাশের আগে নামটি সংশ্লিষ্ট নথি/প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেখে একভাবে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো। একইভাবে “মাদক ব্যবসায়ী” না লিখে “মাদক ব্যবসার অভিযোগে” বা “বিজিবির দাবি” ব্যবহার করাই সংবাদভাষায় নিরাপদ।